
ঋণ করে কোরবানি: ‘ইসলামিক’ নাকি সামাজিক
যিনি তাৎক্ষণিক বা জরুরি ঋণে জর্জরিত এবং পাওনাদার টাকা চাচ্ছে, তার জন্য কোরবানির টাকা জমিয়ে না রেখে আগে ঋণ শোধ করা ফরজ। ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করাকে জুলুম।

যিনি তাৎক্ষণিক বা জরুরি ঋণে জর্জরিত এবং পাওনাদার টাকা চাচ্ছে, তার জন্য কোরবানির টাকা জমিয়ে না রেখে আগে ঋণ শোধ করা ফরজ। ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করাকে জুলুম।

সামর্থ্যবান প্রতিটি মুসলিমের ওপর জীবনে একবার হজ পালন করা ফরজ। হজের প্রস্তুতি ও আরকান-আহকাম নিয়ে পাঠকদের জরুরি কিছু জিজ্ঞাসার সমাধান দেওয়া হলো।

হজে সর্দি-কাশি, পানিশূন্যতা, হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যা থেকে বাঁচতে পানি পান, খাবার সতর্কতা ও ওষুধ নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মক্কা-মদিনায় বাংলাদেশ মেডিকেল সেন্টারের যোগাযোগ নম্বরও জানানো হয়েছে। সুস্থ থেকে ফরজ কাজ পালনই মূল লক্ষ্য।

ঘুমানোর আগে অজু করলে ফেরেশতার সঙ্গ, শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে নিরাপত্তা, মৃত্যুর প্রস্তুতি এবং শারীরিক-মানসিক উপকার পাওয়া যায়। রাসূল (সা.) এর উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন এবং হাদিসে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। এই সহজ সুন্নাহ জীবনে অভ্যাস করা উচিত।

অনেক সময় সায়ি করার সময় মানুষ ছবি তোলা বা ভিডিও করায় মগ্ন হয়ে পড়ে, যা ইবাদতের একাগ্রতা নষ্ট করে। এসব পরিহার করে হজের মূল উদ্দেশ্যের প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত।

জীবনে একবার হজ করা ফরজ। সামর্থ্যবানদের জন্য প্রতি পাঁচ বছর অন্তর হজ করা সুন্নত। সুযোগ থাকলে বারবার বা প্রতিবছর হজ করাতে কোনো বাধা নেই।

পানির সংকটে বর্জ্য পানি পরিশোধন করে ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। শরিয়তে এই ‘পরিশোধিত পানি’ দিয়ে অজু-গোসল বা পানাহারের বিধান কী? ফকিহদের মতামত ও শর্তসমূহ জানুন।

অজু বা গোসলের পর শরীর মুছা জায়েজ কি না—এই বিষয়ে আলেমদের মতামত বিভক্ত। অধিকাংশের মতে এতে কোনো দোষ নেই এবং সওয়াব কমে না। বিভিন্ন মাজহাবের ফকিহদের দলিলসহ বিস্তারিত আলোচনা।

পরিশ্রম ও সংযমের মাস শেষ হওয়ার পর আসে ঈদ। সেই দিন হঠাৎ সব নিয়মকানুন পাল্টে যায়। আগে যেখানে রোজা রাখা ফরজ ছিল, সেখানে ঈদের দিনে রোজা রাখা হারাম।

হিজরির দ্বিতীয় বছরে রমজানের রোজা ফরজ করা হয়। সেই বছর ১৭ রমজান বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। নবীজি (সা.) রমজানের শেষ দশকে নিয়মিত ইতিকাফ করতেন।

আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসের পরেই পিতা–মাতার খেদমত অন্যতম ফরজ ইবাদত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তোমার রব এই ফয়সালা দিয়েছেন যে আল্লাহ ছাড়া কারও ইবাদত করবে না এবং পিতা–মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে।

জাকাত নির্ধারিত আর্থিক ফরজ ইবাদত। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তাদের ধনসম্পদে আছে প্রার্থী ও বঞ্চিতের হক বা ন্যায্য অধিকার।’