পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করল কুয়েত
কুয়েত ও পাকিস্তানের মধ্যে ২০২৩ সালের জুনে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
কুয়েত ও পাকিস্তানের মধ্যে ২০২৩ সালের জুনে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
সরঞ্জাম সরবরাহ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং যৌথ গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে জাপানের সঙ্গে হওয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কুয়েত ও পাকিস্তানের মধ্যে পাঁচ বছরের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি অনুমোদিত হয়েছে। সামরিক প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও প্রতিরক্ষা শিল্পসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার মাধ্যমে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের পাশে আল-সাফা প্রাসাদে এক বৈঠকে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ (এমজেডিএ) সই করেন।
মক্কা জোটের প্রতিরক্ষা চুক্তি, জাজান হামলা এবং বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্লেষণ।
মক্কায় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি; পারস্পরিক সহায়তার অঙ্গীকার ও আগ্রাসন প্রতিহত করার লক্ষ্য তুলে ধরা হয়েছে।
জ্বালানি সহযোগিতা ও বিনিয়োগের বিনিময়ে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কের আদলে পাকিস্তানের সঙ্গে একটি সম্প্রসারিত প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে আগ্রহী কুয়েত।
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষরের পর মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ভাবনা ও যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভরতার প্রশ্ন নতুন করে জোরালো হয়েছে বলে বিশ্লেষকেরা মত দিচ্ছেন।
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ আঞ্চলিক রাজনীতিতে প্রতীকী বার্তা দিলেও চুক্তির বাস্তব লক্ষ্য ও সামরিক সমন্বয় নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।
তুরস্ক বলেছে, চুক্তিতে ইরান কিংবা অন্য কোনো দেশকে অভিন্ন হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।
ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিমানবাহিনী প্রধানের মধ্যে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা।