
কোরআনে ‘পিতা’ শব্দের ভাষাগত ব্যবহার
‘আল-আব’ শব্দটি সন্তানের নিজের বাবা, দাদা এবং চাচা সবার ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু ‘ওয়ালিদ’ বলতে স্রেফ সন্তানের আপন জন্মদাতা পিতাকেই বোঝায়;

‘আল-আব’ শব্দটি সন্তানের নিজের বাবা, দাদা এবং চাচা সবার ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু ‘ওয়ালিদ’ বলতে স্রেফ সন্তানের আপন জন্মদাতা পিতাকেই বোঝায়;

ফৌজদারি আদালত সন্তানকে শাস্তি দিতে পারে, কিন্তু ওই মাতা-পিতা মারা যাওয়ার পর প্রচলিত আইন অনুযায়ী সেই সন্তানটি ঠিকই সম্পত্তির সমবণ্টন পেয়ে যায়।

অনেক সময় ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটতে গিয়ে শেকড়কে ভুলে যাই। বৃদ্ধাশ্রমের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা আমাদের সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের ইঙ্গিত দেয়।

কোরআন যেমন আদর্শ পিতার সফল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছে, তেমনি সন্তানদের বিচিত্র স্বভাব ও আচরণের সঙ্গে কীভাবে সর্বোত্তম পন্থায় প্রতিক্রিয়া করতে হয়, তার রূপরেখা প্রদান করেছে।

পিতৃত্ব একজন মানুষের ওপর অনেক বড় দায়িত্বের বোঝা তৈরি করলেও একে আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য একটি বিশেষ উপহার ও অনুগ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

কোরআনে পিতৃত্বকে একটি গভীর বন্ধন ও দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ‘পিতা’ শব্দটি তিন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং পিতৃত্ব সম্পর্কিত শব্দ ১১৭ বার এসেছে। নবী ইয়াকুব (আ.)-এর মতো আদর্শ পিতার উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে।

আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসের পরেই পিতা–মাতার খেদমত অন্যতম ফরজ ইবাদত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তোমার রব এই ফয়সালা দিয়েছেন যে আল্লাহ ছাড়া কারও ইবাদত করবে না এবং পিতা–মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে।

অনেকে তো তর্কের মুখে বলেই বসেন, “আমরা তো জন্ম নিতে চাইনি, তোমরা আমাদের পৃথিবীতে এনেছ, তাই আমাদের চাওয়া-পাওয়া পূরণ করা তোমাদের আইনি দায়িত্ব।”

মানুষের জীবনকাল দীর্ঘ হওয়ায় বয়স্ক দম্পতিদের মধ্যে আগের তুলনায় অসুখী দাম্পত্যজীবন টেনে বেড়ানোর আগ্রহ কমে যাচ্ছে।