
রোমানিয়ার আবাসিক ভবনে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার ড্রোন, ইইউ ও ন্যাটোর নিন্দা
মস্কোর আচরণকে ‘বেপরোয়া’ বলে উল্লেখ করেছে ন্যাটো।

মস্কোর আচরণকে ‘বেপরোয়া’ বলে উল্লেখ করেছে ন্যাটো।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে বেশ কিছু মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন, রাশিয়া বেলারুশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চল ও ন্যাটোভুক্ত দেশে হামলার পরিকল্পনা করছে। তিনি এ বিষয়ে প্রমাণ সংগ্রহের কথাও জানিয়েছেন।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তাঁর দেশ মিত্রদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতার পক্ষে।

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি সহায়তা ও সমর্থন করতে ব্যর্থ হওয়া ন্যাটো মিত্রদের শাস্তির আওতায় আনতে বিভিন্ন বিকল্প পথ খুঁজছে ওয়াশিংটন।

ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুতের বৈঠকে ইরান যুদ্ধে মিত্রদের অসহযোগিতায় প্রেসিডেন্ট ‘চরম হতাশ’। হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে সাড়া না পেয়ে ন্যাটোকে ‘কাগুজের বাঘ’ বলে সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। যুদ্ধবিরতির পরও জোট ছাড়ার প্রসঙ্গ উঠেছে।

ন্যাটোর মোট ব্যয়ের বেশির ভাগ যুক্তরাষ্ট্র বহন করে, যা প্রায় ৬০ থেকে ৬২ শতাংশ। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র একাই জোটভুক্ত বাকি দেশগুলোর সম্মিলিত ব্যয়ের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান অভিযানে ন্যাটো মিত্রদের অংশগ্রহণ না হওয়ায় আবার ন্যাটো ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন। ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সীমাবদ্ধতা ও কংগ্রেসের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তাঁর ক্ষোভ বাড়ছে। মহাসচিব মার্ক রুতে তাঁকে বশে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ইরান যুদ্ধে ন্যাটোর সহায়তা না পেয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জোট ছাড়ার কথা ভাবছেন এবং এটিকে ‘কাগুজে বাঘ’ বলেছেন। দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ন্যাটোর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

ইরান যুদ্ধে ন্যাটো মিত্রদের সহযোগিতা না পেয়ে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ। ফ্রান্স ও ইতালি আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি, স্পেনও অটল। এতে মার্কিন প্রশাসন ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে বিভাজন স্পষ্ট।

ইসলামি ন্যাটোর আসল কাজ জায়নবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো নয়। এর মূল কাজ মুসলিম জনতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

মার্ক রুটে বলেন, ‘সে ক্ষেত্রে আপনারা আমাদের স্বাধীনতার চূড়ান্ত নিরাপত্তাদাতা হারাবেন। আর সেটি হলো, যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সুরক্ষাবলয়। তাই বলছি, শুভকামনা রইল।’