পরিসংখ্যানের আড়ালে রোহিঙ্গাদের জীবন ও সংগ্রাম
কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পাঁচটি দিন কাটানোর অভিজ্ঞতা কেবল একটি একাডেমিক গবেষণার অংশ ছিল না, এটি ছিল সংখ্যার আড়ালে লুকিয়ে থাকা লাখো মানুষের জীবনসংগ্রাম খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ।
কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পাঁচটি দিন কাটানোর অভিজ্ঞতা কেবল একটি একাডেমিক গবেষণার অংশ ছিল না, এটি ছিল সংখ্যার আড়ালে লুকিয়ে থাকা লাখো মানুষের জীবনসংগ্রাম খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ।
প্রায় ২০ বছর ধরে নদীর তীরে বসবাস করা এই মানুষেরা রান্নাবান্না থেকে শুরু করে দৈনন্দিন সব কাজ নৌকাতেই করেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে তিনটি বই সংরক্ষণের নির্দেশনা বাতিল করেছে।
ভোর থেকে শুরু হওয়া নিরবচ্ছিন্ন ছুটে চলাই বটিয়াঘাটা উপজেলার হোগলবুনিয়া গ্রামের সমাপ্তি মণ্ডলের প্রতিদিনের জীবন, প্রতিদিনের জীবিকার সংগ্রাম।
পয়লা বৈশাখ চরকিতে মুক্তি পাচ্ছে ‘চা গরম’ ফিল্ম। ১৩ এপ্রিল রাত ১২টা থেকে দেখা যাবে ছবিটি। চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবন ও সংগ্রাম নিয়ে এই গল্পে নন্দিনী চরিত্র নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
জন্মদিন এলেই তাঁর জীবন যেন নতুন করে আলোচনায় উঠে আসে—সংগ্রাম, সাফল্য, বিতর্ক আর নিজের মতো করে বাঁচার সাহসের এক অনন্য গল্প।
কিরণ খেরের গল্প নাটকীয়। সেখানে আছে সংগ্রাম, ব্যর্থতা, কলেজজীবনের এক জুনিয়রের সঙ্গে অসমাপ্ত প্রেমের গল্প, যা শেষ পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছিল বিয়ের মঞ্চে।
বলিউড তারকা কিয়ারা আদভানি পডকাস্টে মাতৃত্বের পরিবর্তন, পোস্টপার্টাম সংগ্রাম নিয়ে খোলামেলা কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন। মা হয়ে জীবন বদলে যাওয়া এবং নিজের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন তিনি। স্বামী সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে বিবাহিত কিয়ারা নতুন ছবি ‘টক্সিক’-এ ফিরছেন কাজে।
রেসলিং থেকে হলিউডের শীর্ষে ওঠা তাঁর যাত্রা যেমন অনুপ্রেরণাদায়ক, তেমনই সংগ্রাম ও সাফল্যের অসাধারণ এক গল্প।
ছেলে অনিকের তিন বছর বয়সে স্বামী ইফতেখারুল আলমের মৃত্যুতে একা সংগ্রাম শুরু করেন অভিনেত্রী ববিতা। পরিবারের বিয়ের চাপ সত্ত্বেও সন্তানের জন্য দ্বিতীয়বার বিয়ে করেননি। শুটিং, সংসার ও ছেলের লালন-পালন একাই সামলে সংগ্রামী জীবন কাটিয়েছেন।
জেন্ডার–রেসপনসিভ কোস্টাল অ্যাডাপটেশন (জিসিএ) প্রকল্পের বৃষ্টির পানি সংরক্ষণব্যবস্থা, প্রশিক্ষণ ও জীবিকায়ন সহায়তা আম্বিয়ার মতো অনেকেরই জীবন বদলে দিয়েছে—স্বাস্থ্য, আয়, খাদ্যনিরাপত্তা ও আত্মবিশ্বাসে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
২০০৩ সালের ৮ জুলাই কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও তাঁর সাহিত্যকীর্তি আজও সমান জীবন্ত ও প্রাসঙ্গিক। সময় যত এগিয়েছে, ততই নতুন অর্থে ফিরে এসেছে তাঁর কবিতা। সমাজে যখনই শোষণ, অবিচার কিংবা ফ্যাসিবাদের অন্ধকার বিস্তার লাভ করেছে, তখনই প্রতিবাদী যুবসমাজ সাহস ও সংগ্রামের ভাষা খুঁজে পেয়েছে তাঁর কবিতায়। সুভাষ মুখোপাধ্যায় কেবল ২১ বছরের তরুণ পদাতিক-এর কবি নন; তিনি ছিলেন আজীবন সংগ্রামে অবিচল এক পথিক। তাঁর কবিতা শুধু একটি সময়ের রাজনৈতিক উচ্চারণ নয়, বরং ন্যায়, মানবমুক্তি ও প্রতিরোধের এক স্থায়ী কাব্যভাষা, যা যুগে যুগে মেহনতি মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি ও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জুগিয়ে যাবে। তাঁর বিখ্যাত কবিতার সেই অবিনশ্বর লাইন, যা চিরকাল মানুষের মনে আশার আলো জ্বেলে রাখবে: ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত। শান-বাঁধানো ফুটপাথে পাথরে পা ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছ কচি কচি পাতায় পাঁজর ফাটিয়ে হাসছে।’ (ফুল ফুটুক না ফুটুক, ফুল ফুটুক)