
পার্থিব জীবনের সঙ্গে আধ্যাত্মিক জীবনের সমন্বয় যেভাবে করবেন
আমরা কোরআনের অনেক আয়াতেই দেখতে পাই, জৈবিক ও আত্মিক, দুনিয়া ও আখেরাতের অগ্রাধিকার ও ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষার মধ্যে সমন্বয় করার কথা বলা হয়েছে।

আমরা কোরআনের অনেক আয়াতেই দেখতে পাই, জৈবিক ও আত্মিক, দুনিয়া ও আখেরাতের অগ্রাধিকার ও ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষার মধ্যে সমন্বয় করার কথা বলা হয়েছে।

রেসলিং থেকে হলিউডের শীর্ষে ওঠা তাঁর যাত্রা যেমন অনুপ্রেরণাদায়ক, তেমনই সংগ্রাম ও সাফল্যের অসাধারণ এক গল্প।

মনে মনে ভাবি, স্ট্যান্ডার্ড পাবলিশার্স কি আর কোনো দিন ফিরে পাবে তার সেই পুরোনো জৌলুশ?

সেই টিনের ঘরের রাতগুলোর মতো ভয় আর কখনো পাইনি। এখনো ঝড় উঠলে মনে পড়ে চৌকির নিচে গুটিসুটি বসে থাকা এক শিশুর কথা।

ইবনুল জাওজি ছিলেন তাঁর যুগের প্রখ্যাত ওয়ায়েজ ও লেখক, যাঁর মজলিশে হাজারো মানুষ ইসলাম গ্রহণ করত। তাঁর জীবনে ছিল একের পর এক মর্মান্তিক পরীক্ষা, যেমন বন্যায় লাইব্রেরি ধ্বংস, সন্তান শোক ও নির্বাসন। তাঁর গ্রন্থ <em>সাইদুল খাতির</em>-এ বিপদ মোকাবিলায় ধৈর্যের অনন্য নীতি তুলে ধরেছেন।

শিক্ষা ক্যাডারের সব কর্মকর্তা প্রশাসক হবেন—এমনটি যেমন কাম্য নয়, তেমনি সবাই সারা জীবন কেবল শ্রেণিকক্ষেই সীমাবদ্ধ থাকবেন—এমন ধারণাটিও সেকেলে।

তখন আমি ছাত্র। খণ্ডকালীন কাজ করি। রোজা রেখে কাজ–ক্লাস করতে কোনো সমস্যা হয় না। ইফতারে দেখা যায়, হয় ক্লাসে আছি, না হয় কাজে। ঘড়িতে মাগরিবের সময় হলেই ব্যাগ থেকে বোতলে রাখা লিকুইড ইফতার বের করে টুক করে খেয়ে রোজা ভেঙে ফেলি।

ভয়ে আমার জ্বর এসে গেল। রাতে বারবার ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠতাম। প্রায় সাত দিন পরে স্বাভাবিক হতে পেরেছিলাম।

আমার স্ত্রী রোজী প্রায়ই বলে, ‘হাসনাত, তোমার মধ্যে সব সময় অস্থিরতার ভাব।’ সেদিন তার সেই কথাটাও যেন অদৃশ্যভাবে আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল।

দেবুদের বাড়িটা নিউইয়র্ক শহর থেকে এক–দেড় ঘণ্টার দূরত্বে অরেঞ্জ কাউন্টিতে। কাউন্টি হচ্ছে ছোট ছোট প্রশাসনিক ইউনিট। বাংলাদেশে যেমন উপজেলা, পৌরসভা, গ্রাম আছে—অনেকটা সে রকম।

এক মেয়ে দুষ্টুমি করে টিচারের কানে কথাটি পৌঁছে দেয়। একসময়ে টিচার রেশমীর মামির কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসেন। রেশমী ভাবল আপা যেমন সুন্দর, নিশ্চয় তার বোনের ছেলেও তেমনি সুন্দর হবে। আপাও তার বোনের ছেলে যে কলেজে রেশমীকে দেখেছে, ও পছন্দ করেছে, তা গোপন রাখলেন।

শুধু চিকিৎসক নন, সুলেখক হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছিলেন অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী। মুক্তকণ্ঠর এই নিয়মিত লেখক গত বছরের ১৫ জানুয়ারি প্রয়াত হয়েছেন।