গুম আইন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে: হুম্মাম কাদের
গুম আইন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী।
গুম আইন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী।
মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর কয়েকটি ধারা নিয়ে পুলিশকে তদন্তক্ষমতা দেওয়াসহ সংশ্লিষ্ট বিধানগুলোয় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্থা অধিকার।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার খসড়া আইন দায়মুক্তি ও অস্বীকারের সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে দলের পক্ষ থেকে ওই বিবৃতি...
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা; পাশাপাশি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ২০২৬ এবং ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬ বাতিলের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়।
মানবাধিকার কমিশনের শক্তিশালী আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইনমন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছেন, বর্তমান সরকারের সময়ে কোনো গুম হয়নি; গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে।
গুমের সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর ও স্বচ্ছ আইন প্রণয়ন এবং অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার এবং র্যাব-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের স্বাধীন তদন্তের সুযোগ খর্ব হচ্ছে বলে অভিমত দিয়েছেন মানবাধিকারকর্মীরা।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দিবসে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব গুম হওয়া ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি, সহমর্মিতা জানান।
প্রস্তাবিত গুম ও মানবাধিকার আইনে কমিশনগুলোর ক্ষমতা খর্ব ও জবাবদিহির অভাব তুলে ধরে সংসদ সদস্য আরমানের সমালোচনা।
গুম থাকার সময় তাঁর ব্যাপারে সব সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আসত বলে দাবি আরমানের।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ খসড়া আইন, ২০২৬: আইনি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক গোলটেবিলে নতুন খসড়া আইনে কমিশনের স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা কমানোর আশঙ্কা এবং নিরপেক্ষ তদন্ত বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।