কথা রাখলেন গাভি, এখন ইয়ামাল ও তোরেসের পালা
বিশ্বকাপ জয়ের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গোলাপি রঙে চুল রাঙালেন গাভি। সতীর্থ কুকুরেয়াও কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের ট্যাটু করিয়ে কথা রেখেছেন, তবে ইয়ামাল ও তোরেস এখনো তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেননি।
বিশ্বকাপ জয়ের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গোলাপি রঙে চুল রাঙালেন গাভি। সতীর্থ কুকুরেয়াও কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের ট্যাটু করিয়ে কথা রেখেছেন, তবে ইয়ামাল ও তোরেস এখনো তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেননি।
স্পেনের লস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কা শহরের ঐতিহ্য অনুযায়ী বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার গাভি ও ফাবিয়ান রুইজকে তাঁদের শরীরের ওজনের সমান টমেটো দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়েছে।
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে আর্জেন্টাইন ফুটবলার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছিলেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার গাভি। সেই ঘটনায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ফিফা। তবে কোনো আর্জেন্টাইন ফুটবলারের নিষেধাজ্ঞা চান না স্পেনের এই মিডফিল্ডার। বুধবার নিজ শহর লস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্ক
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি গাভি ঘুরে বেড়ানোর ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। শুক্রবার রাতে ফেসবুকের একটি গ্রুপে ছবিটি প্রকাশ করা হয়।
বিশ্বকাপ জয়ের পর মাদ্রিদে উদযাপনের সময় সতীর্থ গাভিকে নিয়ে মজার ব্যানার প্রদর্শন করেন লামিনে ইয়ামাল, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ফিফা বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফেরা স্পেন দলের দুই খেলোয়াড়কে দেওয়া উপহার যেন সেসবকেও হার মানিয়েছে।
ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর মেজাজ হারিয়ে স্পেনের ফুটবলার এরিক গার্সিয়া ও গাভিকে আক্রমণ করেছেন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারদেস।
ফাইনালে স্পেনের কাছে হারার পর মেজাজ হারিয়ে স্পেনের দুই ফুটবলার এরিক গার্সিয়া ও গাভিকে মেরেছেন লিয়ান্দ্রো পারদেস, যা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
কাজলীর বাড়ি রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের পলাশবাড়ী গ্রামে। গরুর খামার থেকে এখন তিনি মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করছেন।
বিশ্বকাপ হারানোর হতাশা সামলাতে পারেননি লিয়ান্দ্রো পারেদেস। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের শেষ বাঁশির পর গাভি ও এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে লাল কার্ড দেখেছেন আর্জেন্টিনার এই মিডফিল্ডার। স্পেনের খেলোয়াড়েরা শিরোপা জয়ের উদ্যাপন শুরু করতেই দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সংবাদমাধ্যমের ভিড
রাজশাহীর বাগমারায় চোরাই বাছুর উদ্ধারের পর গাভি আনিয়ে যাচাই করা হয়। বাছুরটি গাভির কাছে ছুটে গিয়ে দুধ খাওয়া শুরু করলে প্রকৃত মালিক আকরাম হোসেন শনাক্ত হন। আজ বুধবার দুপুরে কোয়ালীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে বাছুরটি তাঁর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শিক্ষকতার পাশাপাশি তাঁদের অনেকেই আয় বাড়ানোর জন্য গাভি পালন, গরু মোটাতাজাকরণ, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য চাষ, নার্সারি স্থাপন, ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখেন।