গবেষণাপত্র প্রত্যাহার মানেই নৈতিক অসদাচরণ নয়: বিএসপিইউএ
বিএসপিইউএ আয়োজিত ওয়েবিনারে গবেষকেরা জানান, গবেষণাপত্র প্রত্যাহার সবসময় নৈতিক অসদাচরণ নয়, বরং এটি বিজ্ঞানের আত্মসংশোধন প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে।
বিএসপিইউএ আয়োজিত ওয়েবিনারে গবেষকেরা জানান, গবেষণাপত্র প্রত্যাহার সবসময় নৈতিক অসদাচরণ নয়, বরং এটি বিজ্ঞানের আত্মসংশোধন প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে।
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার পরিবেশ এবং গবেষণা-নৈতিকতা নিয়ে আলোচনা। গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের প্রেক্ষিতে সঠিক তথ্য ও বাস্তবতার ভিত্তিতে আলোচনা প্রয়োজন।
আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা পরিবেশ, কাঠামোগত সমস্যা এবং নৈতিকতা নিয়ে এক বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা।
সম্প্রতি প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে জানা যায়, চুরি ও অনিয়ম ধরা পড়ায় বাংলাদেশিদের ৩২৫ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। গবেষণায় অনিয়ম ও কুম্ভিলতা নিয়ে প্রায়ই প্রতিবেদন হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেহেতু দেশে বিশ্ববিদ্যালয় বেড়েছে, শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে, তাই গবেষণার প্রতি সামষ্টিক যে আগ্রহ, সেটা খুবই আশাব্যঞ্জক।
চুরি ও অনিয়মের অভিযোগে বৈশ্বিক জার্নাল থেকে গবেষণা প্রত্যাহারের তালিকায় নাম রয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাবেক উপাচার্য মো. আবদুল মজিদের।
জালিয়াতি, তথ্য অসংগতি ও চৌর্যবৃত্তির কারণে ২০১৯ থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৩২৫টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ভুয়া বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন (পিয়ার রিভিউ), চৌর্যবৃত্তি (প্লেজিয়ারিজম), কাল্পনিক উপাত্ত ব্যবহারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাময়িকী বা জার্নাল থেকে বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণাপ্রতিষ্ঠান-সংশ্লিষ্ট অন্তত ৩২৫টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। ২০১৯ থেকে ২০২৬