গবেষণা বাজেটে স্বচ্ছতা আনতে সমন্বিত কমিটি গড়বে ইউজিসি
গবেষণা বাজেটের সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিদের নিয়ে সমন্বিত কমিটি গঠন এবং সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ।
গবেষণা বাজেটের সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিদের নিয়ে সমন্বিত কমিটি গঠন এবং সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ।
গবেষণা ও উদ্ভাবন সুরক্ষায় ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) এবং পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের (ডিপিডিটি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
গবেষণা বরাদ্দ ইউজিসির বদলে সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়কে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে দুই ছাত্রসংগঠন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬১টি গবেষণা কেন্দ্রের অধিকাংশই নিষ্ক্রিয়। অনেকগুলোর অফিস নেই।
ক্রাউন সিমেন্ট অভিজ্ঞতার আলো অনুষ্ঠানে এবারের অতিথি ছিলেন গবেষক ও বিজ্ঞানী ফিরদৌসী কাদরী।
গবেষণা ও উদ্ভাবনে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) সঙ্গে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত সভায় প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, গবেষণা, শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতা এবং দক্ষ
ভুয়া বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন (পিয়ার রিভিউ), চৌর্যবৃত্তি (প্লেজিয়ারিজম), কাল্পনিক উপাত্ত ব্যবহারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাময়িকী বা জার্নাল থেকে বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণাপ্রতিষ্ঠান-সংশ্লিষ্ট অন্তত ৩২৫টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। ২০১৯ থেকে ২০২৬
মজার বিষয় হলো, বাঙালির সবচেয়ে পছন্দের শব্দগুলোর একটি ‘গবেষণা’, অথচ সবচেয়ে অপছন্দের কাজগুলোর একটি হলো ‘গবেষণা করা’।
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার পরিবেশ এবং গবেষণা-নৈতিকতা নিয়ে আলোচনা। গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের প্রেক্ষিতে সঠিক তথ্য ও বাস্তবতার ভিত্তিতে আলোচনা প্রয়োজন।
ভুয়া বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন, তথ্যের অসংগতি, চৌর্যবৃত্তি কিংবা অর্থের বিনিময়ে গবেষণাপত্র তৈরির অভিযোগ—এসব কেবল সংশ্লিষ্ট গবেষকের নয়; গোটা দেশের গবেষণা-অঙ্গনের মর্যাদা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।
সম্প্রতি প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে জানা যায়, চুরি ও অনিয়ম ধরা পড়ায় বাংলাদেশিদের ৩২৫ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। গবেষণায় অনিয়ম ও কুম্ভিলতা নিয়ে প্রায়ই প্রতিবেদন হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেহেতু দেশে বিশ্ববিদ্যালয় বেড়েছে, শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে, তাই গবেষণার প্রতি সামষ্টিক যে আগ্রহ, সেটা খুবই আশাব্যঞ্জক।