
যুক্তরাজ্য কি ডানপন্থী কর্তৃত্ববাদের দিকে ঝুঁকছে
গত সপ্তাহে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সেক্রেটারি হিলারি বেন এই প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘কারও গায়ের রঙের ওপর ভিত্তি করে যদি আপনি তাকে আক্রমণ করেন, তবে একে বর্ণবাদী গুন্ডামি ছাড়া আর কী বলবেন?’ কথাটি সত্যি।

গত সপ্তাহে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সেক্রেটারি হিলারি বেন এই প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘কারও গায়ের রঙের ওপর ভিত্তি করে যদি আপনি তাকে আক্রমণ করেন, তবে একে বর্ণবাদী গুন্ডামি ছাড়া আর কী বলবেন?’ কথাটি সত্যি।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বিশ্বজুড়ে ১০০টির বেশি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে।

জনপরিসরে যখন যুক্তিনির্ভর বিতর্ক ও সহনশীলতার চর্চা হওয়ার কথা, তা প্রায়ই ক্ষমতাশীলদের নিয়ন্ত্রণের পরিসরে রূপ নিচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য একটি গভীর সংকটের পূর্বাভাস।

ডিডব্লিউ গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদ, আস্থা পুনর্গঠন এবং এআই প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্লেষণ করেন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কেন বারবার সংস্কার আন্দোলনের ঢেউ সত্ত্বেও এই দেশ গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা ও কর্তৃত্ববাদী প্রত্যাবর্তনের এক চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ইতিপূর্বে যারা সরকার গঠন করেছে কিংবা সরকারের শরিক হয়েছে, তারা কেউ স্বৈরাচারী কেউ–বা ফ্যাসিবাদীর অভিধা অর্জন করেছে। সে বাবদে বলা যায়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী-আনুগত্যপ্রত্যাশী শাসক তৈরির উর্বর ক্ষেত্র।

বামপন্থীদের দুটি পক্ষই ধর্মীয় পরিচয়বাদের রাজনীতির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদী পরিচয়বাদের রাজনীতি নিয়ে তাঁদের অপর অংশটি কি সমান সচেতন? সচেতন হলে এই পরিচয়বাদ রক্ষার নামে কর্তৃত্ববাদী শাসনের সমর্থন কীভাবে সম্ভব?

এমন পরিস্থিতিতে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি দলের কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি হয়। আমরা আশা করব, শুরু থেকেই বিএনপি এই ঝুঁকির ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে।