কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা যেভাবে সামাজিক সম্পর্কগুলো বদলে দেয়
জনপরিসরে যখন যুক্তিনির্ভর বিতর্ক ও সহনশীলতার চর্চা হওয়ার কথা, তা প্রায়ই ক্ষমতাশীলদের নিয়ন্ত্রণের পরিসরে রূপ নিচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য একটি গভীর সংকটের পূর্বাভাস।
জনপরিসরে যখন যুক্তিনির্ভর বিতর্ক ও সহনশীলতার চর্চা হওয়ার কথা, তা প্রায়ই ক্ষমতাশীলদের নিয়ন্ত্রণের পরিসরে রূপ নিচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য একটি গভীর সংকটের পূর্বাভাস।
ডিডব্লিউ গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদ, আস্থা পুনর্গঠন এবং এআই প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্লেষণ করেন।
পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগ কাল আবার শুনানি করবে; সংশোধনীটি নিয়ে আইনজীবীরা ত্রুটির কথা বলেছেন।
‘ফার্স্ট’ এখন এমন এক রাজনৈতিক হাতিয়ার, যা ভিন্ন ভিন্ন অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার দেশেও সমান কার্যকর। গণতন্ত্র হোক বা কর্তৃত্ববাদ, উন্নত অর্থনীতি হোক বা উন্নয়নশীল দেশ—সবখানেই এর আবেদন বাড়ছে।
জুলাইকে ঘিরে সাহস, আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, ‘ফ্রেমিং’ ও জাতীয় স্বার্থের যোগসূত্র এবং কর্তৃত্ববাদের প্রতিক্রিয়ায় সংঘটিত প্রতিরোধ—এসব বিষয়ের আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে মতামতধর্মী নিবন্ধে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শুধু ক্রমেই কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠা একটি শাসনব্যবস্থার পতন ঘটায়নি, বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরানোর বড় সুযোগ তৈরি করে দেয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বিএনপির মধ্যে কর্তৃত্ববাদী মানসিকতা তৈরি হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ৫ কোটি মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে সমর্থন দিলেও বিএনপি সেই গণভোটকে উপেক্ষা করছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়
বাংলাদেশ এখন সম্ভাবনার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে উল্লেখ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, দেশে যখনই কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে, তখনই তরুণরা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রকৃত উৎস জনগণ; তাই
গত সপ্তাহে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সেক্রেটারি হিলারি বেন এই প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘কারও গায়ের রঙের ওপর ভিত্তি করে যদি আপনি তাকে আক্রমণ করেন, তবে একে বর্ণবাদী গুন্ডামি ছাড়া আর কী বলবেন?’ কথাটি সত্যি।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কেন বারবার সংস্কার আন্দোলনের ঢেউ সত্ত্বেও এই দেশ গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা ও কর্তৃত্ববাদী প্রত্যাবর্তনের এক চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ইতিপূর্বে যারা সরকার গঠন করেছে কিংবা সরকারের শরিক হয়েছে, তারা কেউ স্বৈরাচারী কেউ–বা ফ্যাসিবাদীর অভিধা অর্জন করেছে। সে বাবদে বলা যায়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী-আনুগত্যপ্রত্যাশী শাসক তৈরির উর্বর ক্ষেত্র।
বামপন্থীদের দুটি পক্ষই ধর্মীয় পরিচয়বাদের রাজনীতির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদী পরিচয়বাদের রাজনীতি নিয়ে তাঁদের অপর অংশটি কি সমান সচেতন? সচেতন হলে এই পরিচয়বাদ রক্ষার নামে কর্তৃত্ববাদী শাসনের সমর্থন কীভাবে সম্ভব?