কবিতা অন্য আলো
বসন্তের প্রকৃতিতে প্রেম, স্বাধীনতা ও সম্মতির আলো জ্বলে ওঠে এই কবিতায়। নারী-পুরুষের সম্পর্ককে গ্রামীণ দৃশ্যের মাধ্যমে চিত্রিত হয়েছে সৃষ্টির উর্বরতা। শরীরকে পাপ নয়, সৃষ্টির দরজা হিসেবে উপস্থাপন করেছে কবিতা।
বসন্তের প্রকৃতিতে প্রেম, স্বাধীনতা ও সম্মতির আলো জ্বলে ওঠে এই কবিতায়। নারী-পুরুষের সম্পর্ককে গ্রামীণ দৃশ্যের মাধ্যমে চিত্রিত হয়েছে সৃষ্টির উর্বরতা। শরীরকে পাপ নয়, সৃষ্টির দরজা হিসেবে উপস্থাপন করেছে কবিতা।
গত শতকের ষাটের দশকে ভিয়েতনাম যুদ্ধে মার্কিন হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে যেসব কবি কলম ধরেছেন, তাঁদের অন্যতম ডেনিস লিভারটভ (১৯২৩–১৯৯৭)।
তোমরা যারা নিশ্চিন্তে তীরে বসে আছ, তোমাদের টেবিলে খাবার, পরনে দামি পোশাক—
গবেষকেরা মনে করেন, ‘ফ্রাঙ্কের কবিতা হলো মুহূর্তের স্ন্যাপশট, যেখানে একত্রে মিশে গেছে নানা নৈমিত্তিক ভাবনা আর দৈনন্দিনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা।’
ফারসি ও হিন্দি ভাষা ও ‘রেখতা’ শৈলীর কাব্যে সুশিক্ষিত কবি জাফর জাতাল্লি তাঁর কবিতায় মোগলশাহির ক্রমক্ষয়িষ্ণু চরিত্রের সুতীব্র সমালোচনা করেছেন। নির্ভীক, ক্রুদ্ধ, প্রতিবাদমুখরভাবে তিনি লিখে গেছেন
সে জানে কীভাবে মানুষ তাদের জীবন কাটানোর নানা পরিকল্পনা করে আর তারপর তেমন জীবন সে কোনো দিন কাটায় না।
কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ যেন চিরযৌবনের প্রতীক। ব্যক্তিজীবন, কবিতা, সমাজ ও রাষ্ট্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে বশ্যতার নিয়ম ও আধিপত্যবাদী দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে ছিল তাঁর বিদ্রোহ। বিট–প্রজন্মের নেতা ও ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধী এই কবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের পক্ষে। লিখেছিলেন তাঁর অমর কবিতা ‘যশোর রোডে সেপ্টেম্বর’। ৩ জুন এই কবির জন্মশতবর্ষ পূর্ণ হলো।
জনাবাই এমন এক নারী, যিনি ভক্তি আন্দোলনের গভীরতম স্রোতে দাঁড়িয়ে থাকা এক শক্তিশালী সত্তা। দাসত্বের জীবনে থেকেও কবিতা, ঈশ্বরপ্রেম আর মানবসমতা—এই তিনটিকে তিনি অনুপমভাবে মিলিয়েছেন। জনাবাইয়ের জীবন ও কবিতা নারী, নিম্নবর্ণ ও শোষিত মানুষের আধ্যাত্মিক মুক্তি এবং সামাজিক প্রতিবাদের এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হয়ে শত শত বছর ধরে জীবন্ত রয়েছে।
ওয়াং জিবিং। লোকে তাঁকে আদর করে ‘ডেলিভারি পোয়েট’ বলে ডাকে। চীনের জিয়াংসু প্রদেশের কুনশানে ফুড ডেলিভারির কাজ করে তাঁর জীবন চলে। আর দশজন কবির মতো টেবিলে বসে কবিতা লেখার সুযোগ তাঁর নেই। ফুড ডেলিভারির ফাঁকে সামান্য যে বিরতি, তখনই নিজের ভাবনারাশিকে কবিতায় রূপ দেন ওয়াং।