বসন্তের সকালে ঘরের দেয়ালে জন্ম নেয় সবুজ ডানা।

ধানখেতে দাঁড়িয়ে থাকে সময়—নগ্ন, অথচ নির্ভীক।

গ্রামীণ পথের ধুলো জানে—

             প্রতিটি প্রেমই এক একটি গোপন বিপ্লব।

নারীর চুলে গেঁথে থাকা রোদ

পুরুষের কাঁধে নেমে আসে নদীর মতো।

স্পর্শে আকাশে জ্বলে ওঠে নতুন নক্ষত্র,

যেন ঈশ্বর নিজেই শিখছেন স্বাধীনতার মানে।

পাটখেতে বাতাস ঢুকে বলে—

শরীর মানে পাপ নয়, শরীর মানে সৃষ্টির দরজা।

বসন্তের বৃষ্টি নেমে ধুয়ে দেয় পুরোনো ভয়,

মাটির ভাঁজে রেখে যায় উর্বরতার গোপন চিহ্ন।

দুই সমান্তরাল একাকিত্বের মধ্যবর্তী শূন্যতায়

শিকড় ছড়ায় এক অদেখা উদ্ভিদ—

তার দেহে ভাষাহীন ঋতু,

ডালে ঝুলে আছে স্বেচ্ছায় উন্মুক্ত একটি ফল

যার অন্য নাম—সম্মতির আলোকবীজ।

এখানে নারী-পুরুষ একে অপরের আয়না,

কাদামাটির ভেতর লুকিয়ে থাকে আকাশ,

আর প্রতিটি আলিঙ্গনে জেগে ওঠে নতুন গ্রহ।