এসএমই খাত ২ হাজার কোটি টাকা ঋণ পাবে
ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) খাতের উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন-সংকট দূর করতে অর্থমন্ত্রী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ২ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ পুনঃ অর্থায়ন ঋণ তহবিল ঘোষণা করেছেন।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) খাতের উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন-সংকট দূর করতে অর্থমন্ত্রী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ২ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ পুনঃ অর্থায়ন ঋণ তহবিল ঘোষণা করেছেন।
নতুন এই তহবিলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন পুনঃ অর্থায়ন তহবিল’। প্রাথমিকভাবে এই তহবিলের মেয়াদ হবে তিন বছর।
তরুণ উদ্যোক্তাদের স্বল্প সুদে ঋণ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে অনুদান দিতে এক হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক; জামানত ছাড়াই এই সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
মহাখালীর বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোডের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স ভবনে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ৩৭তম শাখা চালু হয়েছে।
১০ কোটি টাকার কম ঋণে গড় খেলাপির হার সাড়ে ২১ শতাংশ। আর ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণে খেলাপির হার ৫১ শতাংশ। অর্থাৎ বড় ঋণের অর্ধেকের বেশি খেলাপি।
‘গত ২৫ বছরে আমরা ২০ লাখের বেশি এসএমই উদ্যোক্তাকে ঋণ দিয়েছি। এই অর্থায়ন এক কোটির বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে। তাই আমরা নিজেদের শুধু একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে দেখি না, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশীদার হিসেবেও দেখি।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী গত মার্চ শেষে এক কোটি টাকার কম ঋণের খেলাপি গ্রাহক বেড়ে ৪৫ লাখ ৪৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয়, ঋণের বোঝা, এসএমই কার্যক্রমের মন্থর গতি এবং কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় পরিশোধ সক্ষমতা কমে যাওয়াকে মূল কারণ হিসেবে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
২৮টি সমস্যার মধ্যে ২১টির সমাধান হয়েছে; ২০৩০ সালের মধ্যে রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আলোচনা ও এসএমই খাতের রপ্তানি সুবিধা বৃদ্ধিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আমানত ও ঋণের সুদহারের নতুন ব্যবধান (স্প্রেড) নির্ধারণের ফলে অনেক ব্যাংক এসএমই খাতে ঋণ বিতরণ কমিয়ে দিতে পারে।
সেমিনারে বক্তারা জাতীয় বাজেটের মাধ্যমে এমএসএমই খাতের প্রবৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বর্তমান চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে এসএমই খাতকে বৈশ্বিক মানের ও টেকসই করতে হলে দীর্ঘমেয়াদি কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন মনে করছেন উদ্যোক্তারা।
টেকসই উন্নয়ন, সরকারের সাম্প্রতিক বাজেট ঘোষণা, নতুন তহবিল বিতরণ এবং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের নানা দিক নিয়ে মুক্তকণ্ঠের মুখোমুখি হয়েছেন ঢাকা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইএমও মো. মোস্তাক আহমেদ।