
৩ লাখ কোটি টাকার নতুন এডিপি পাস, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বাড়তি বরাদ্দ
আজ সোমবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় নতুন এডিপি পাস হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এনইসি সভায় সভাপতিত্ব করেন।

আজ সোমবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় নতুন এডিপি পাস হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এনইসি সভায় সভাপতিত্ব করেন।

আগামী অর্থবছরের এডিপির আকার প্রথমবার তিন লাখ কোটি ছাড়িয়ে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা হবে। আজ শনিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বর্ধিত সভায় খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী ১৬ মে এডিপির খসড়া চূড়ান্ত হবে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে এডিপি বাস্তবায়ন মাত্র ৩০.৩১ শতাংশ হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৪ হাজার ২২৬ কোটি টাকা কম। সংসদবিষয়ক সচিবালয় এক টাকাও খরচ করেনি, পাঁচটি মন্ত্রণালয়-বিভাগ বরাদ্দের ১০ শতাংশও ব্যয় করতে পারেনি।

আজ বুধবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) জুলাই মাসের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হালনাগাদ চিত্র প্রকাশ করেছে।

৭ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় সংশোধিত এডিপি পাস হতে পারে। সংশোধিত এডিপির আকার হতে পারে ২ লাখ কোটি টাকা।

বরাদ্দ বাড়লেও এর সুফল সবচেয়ে বঞ্চিত ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পৌঁছানোয় বৈষম্য রয়েছে।

সংসদবিষয়ক সচিবালয়ের একটি উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ২০ লাখ টাকা। কিন্তু চলতি অর্থবছরের ১০ মাস (জুলাই–এপ্রিল) পেরিয়ে গেলেও একটি টাকাও খরচ করা যায়নি।

আজ একশনএইড আয়োজিত সংলাপে বলা হয়, গত পাঁচ বছরে জিডিপির তুলনায় শিক্ষা বাজেট ও জেন্ডার বাজেট কমেছে। জলবায়ুঝুঁকিতে থাকা দেশ হওয়া সত্ত্বেও এডিপিতে কমেছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ।

১৫ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পারফরম্যান্স খারাপ। চলতি জুলাই–মার্চ সময়ে এডিপি বাস্তবায়ন হার ৩৬ শতাংশ, যা ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

আজ সোমবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।