
ইউটিউব দেখে বিদেশি আঙুর চাষ, প্রথম বছরেই লাভের মুখ দেখলেন মিনহাজুল
প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ভিড় করছেন এই আঙুর বাগান দেখতে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ বাগানমালিকের কাছে আঙুর চাষের পদ্ধতি জানতে চাইছেন।

প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ভিড় করছেন এই আঙুর বাগান দেখতে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ বাগানমালিকের কাছে আঙুর চাষের পদ্ধতি জানতে চাইছেন।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সজল আহমেদের আঙুরবাগান রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। শখ থেকে শুরু করা এই আঙুর চাষ এখন বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে, যেখানে ১৪ প্রজাতির আঙুর চাষ হচ্ছে।

গাজীপুরের মো. রোকনুজ্জামান এক বিঘা জমিতে ‘বাইকুনুর’ জাতের আঙুর চাষ করে লাভের নতুন পথ খুলেছেন। প্রথম মৌসুমেই দুই লাখ টাকা লাভের সম্ভাবনা রয়েছে এই চাষে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনায় এটি তরুণদের জন্য সম্ভাবনাময় খাত।

পাঁচজনের সংসার খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হতো তাঁকে। আঙুর চাষ তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। মাত্র ২৫ শতাংশ জমি থেকে ১০ লাখ টাকার আঙুর ও চারা বিক্রি করেছেন।

প্রকৌশলীর চাকরি ছেড়ে আঙুর চাষে নামেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার হাসনিপুর গ্রামের ইমাম হাসান সাগর। প্রথম বছরেই আঙুর ও চারা বিক্রি করে আয় ৩৬ লাখ টাকা।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গঙ্গারহাট বাজারসংলগ্ন আজোয়াটারী গ্রামে এই আঙুরবাগান গড়ে তুলেছেন উদ্যোক্তা হাসেম আলী ও তাঁর ভাগনে রুহুল আমীন। বাগানে রয়েছে ৪৬০টি বাইকুনুর জাতের আঙুরগাছ।

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমিক মো. মোকছেদুল ইসলামের বাড়ির পাশে ১৪ শতক জমিতে ২০ জাতের আঙুর ঝুলছে। পড়াশোনার পাশাপাশি কারখানায় কাজ করে জমানো টাকায় শখের বাগান গড়ে বাণিজ্যিক চাষ শুরু করেছেন তিনি। এলাকাবাসীর প্রশংসায় মুখরিত এই বাগান দেখতে ভিড় করছে স্থানীয়রা।

কম্পিউটার সায়েন্সে পড়াশোনা করা ফারদিন আহমেদ শিক্ষকতার পাশাপাশি সফল হয়েছেন আঙুর চাষে। রাজবাড়ীর কুটি পাচুরিয়া এলাকার এই উদ্যোক্তা নিজ গ্রামের প্রায় ৫০ শতাংশ জমিতে আঙুর চাষ শুরু করেছেন।

ইকরামের বাগানে এখন ১৫০ জাতের আঙুর

একটি চারা থেকে শুরু করে ১৫০ জাতের আঙুর চাষে এক বছরে প্রায় ৯ লাখ টাকা আয় করে স্বাবলম্বী হয়েছেন চাঁদপুরের তরুণ ইকরাম খান।