অজুর দোয়া: কখন কীভাবে পড়বেন
ইমাম ইবনুল কাইয়িম বিষয়টি জোরালোভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, অজুর শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ এবং শেষে শাহাদত পাঠ ছাড়া মাঝখানে কোনো বিশেষ দোয়া পড়া সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
ইমাম ইবনুল কাইয়িম বিষয়টি জোরালোভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, অজুর শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ এবং শেষে শাহাদত পাঠ ছাড়া মাঝখানে কোনো বিশেষ দোয়া পড়া সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
মহানবী (সা.) বলেছেন, প্রতিটি ভালো কাজই সদকা। ধনী-দরিদ্র সবার জন্য দৈনন্দিন কাজগুলো পুণ্যের পথ খুলে দিয়েছে। হাদিসের আলোকে সদকার বিস্তৃত রূপ তুলে ধরা হয়েছে।
শরীয় কারণে রমজানে রোজা ভাঙলে কাজা বাধ্যতামূলক, কিন্তু বিলম্বের বিধান কী? হানাফি মতে কেবল কাজাই যথেষ্ট, অন্যান্য মতে ফিদইয়াও দিতে হয়। দুর্বল বা বয়স্কদের জন্য ফিদইয়ার সুবিধা রয়েছে।
রমজানের পর ইবাদতের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক দৃঢ়তা জরুরি। এখানে ১০টি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হয়েছে, যা কোরআন, হাদিস ও সাহাবিদের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত। এগুলো অনুসরণ করলে সারা বছর আধ্যাত্মিক আমেজ বজায় থাকবে।
শাওয়াল মাস থেকেই হজের আনুষ্ঠানিক মানসিক শারীরিক ও আর্থিক প্রস্তুতি শুরু হয়। কারণ, এই মাস হজের তিনটি মাসের (শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ) প্রথম মাস।
রমজান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকে পুরনো অনৈতিক অভ্যাসে ফিরে যান, মসজিদ ফাঁকা হয়ে যায়। এটি ‘রমজানি’ মানুষের চিহ্ন, যাদের ইবাদত এক মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সত্যিকারের ‘রব্বানি’ হতে হলে সারা বছর ধর্মানুশীলন অব্যাহত রাখতে হবে।
পবিত্র রমজান মাস বিদায় নিয়েছে। অনেক মুসলমান এই এক মাস ইবাদত-বন্দেগিতে খুব মশগুল থাকেন, কিন্তু মাস শেষ হতেই আবার আগের গাফিলতিতে ফিরে যান।
আল্লাহর অনুগত হলে সব ধরনের মন্দ কাজ থেকে বাঁচা সহজ হয়। যেমন আল্লাহ-তাআলা ইউসুফ (আ.)-কে মিসরের আজিজের স্ত্রীর অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেছিলেন।
‘নামাজ কায়েম’ বলতে কেবল দায়সারাভাবে পড়া নয়, বরং নামাজের নিয়ম-কানুন, সময় ও একাগ্রতা বজায় রেখে যথাযথভাবে আদায় করাকে বোঝানো হয়েছে।
এই আমলটির ভিত্তি বা সংশ্লিষ্ট হাদিসটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলেমদের মধ্যে কিছু বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে হাফেজ ইবনুদ দিহিয়া এই হাদিসটিকে দুর্বল প্রমাণের চেষ্টা করেছিলেন।
যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে আল্লাহর অত্যন্ত প্রিয় একটি ইবাদত করা যায় যা আমাদের অনেকেরই অজানা। আর তা হলো দোয়া করা।
দিনের বেলায় কিছুটা ঘুমিয়ে নিন। এতে রাত জেগে ইবাদত করার শক্তি পাবেন। মাগরিবের পর যেন পুরোপুরি ইবাদতে ব্যয় করতে পারেন, তাই প্রয়োজনীয় কাজগুলো সেরে রাখুন।