
ঈদ আনন্দ দেশে দেশে: মালয়েশিয়ার ‘মালাম রায়া’–র উৎসবমুখর রাত
মালয়েশিয়ার সংস্কৃতি, মানুষের আন্তরিকতা ও খাবারের বৈচিত্র্য ভ্রমণকারীদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে নাসি গোরেং, নাসি প্রেন্ডাংসহ নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ মন ভরিয়ে দেয়।

মালয়েশিয়ার সংস্কৃতি, মানুষের আন্তরিকতা ও খাবারের বৈচিত্র্য ভ্রমণকারীদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে নাসি গোরেং, নাসি প্রেন্ডাংসহ নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ মন ভরিয়ে দেয়।

কিন্তু একদিন হারিয়ে গেল— কোথায় জানি না। আর এখন, বিশ বছর পরেও, আমি মনে করতে পারি সেই পাথরের শীতল স্পর্শ—

দেশে যুদ্ধ চলায় প্রথমত মানুষের হাতে টাকা ছিল না। আর যাঁরা সচ্ছল ছিলেন, তাঁরাও এমন পরিস্থিতিতে নতুন কাপড় কেনা সংগত মনে করেননি।

রাশমিকা বলেন, ‘একসময় আমার অভিনয় নিয়ে মানুষ মজা করত, ট্রল করত। আর আজ সেই রাজ্যই আমাকে এই সম্মান দিল।’

রাজশাহীর মোহনপুরে কৃষক হাফিজ উদ্দিনের জাকাতের টাকায় ঈদের আগে ১ হাজার ২০০ দুস্থ মানুষের হাতে নতুন নোট। স্বস্তি ও আনন্দ। ফিরেছে তাঁদের জীবনে কিছুটা আশা ও হাসি।

বাঘায় ঈদ আসে, সঙ্গে নিয়ে আসে এই মেলা। রাজশাহীর বাঘার মানুষের কাছে ঈদের আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করে ঈদমেলা। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে এ মেলা হয়ে ওঠে সব মানুষের মিলনমেলা।

আজ বৃহস্পতিবার এই তিন পথেই ছিল যাত্রীদের ভোগান্তি। কিছু সড়কে ছিল দীর্ঘ যানজট, বিভিন্ন রুটে ঘরমুখী মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করা হয়।

দেনা মেটাতে কয়েক বছর আগে বিক্রি করে দিয়েছেন সাভারের পূর্ব জামসিং এলাকার ভিটামাটিসহ বাড়ি। এখন উত্তর জামসিং এলাকার ভাড়া বাসায় মানবেতর জীবন কাটছে তাঁর।

বগুড়া পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ আমিনুল ইসলাম ঝন্টু পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত ও বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছেন। এলাকাবাসীর কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করে তিনি জানান, ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চান ইনশাআল্লাহ।

এই নীড়ে ফেরার জন্য যে যাত্রা, তার প্রধান বাহন তো বাস, ট্রেন, লঞ্চ—এ তিনটিই। দেখেন না, পড়ি কি মরি করে কোনো প্রকারে হাজার হাজার মানুষকে ঠেলেঠুলে নিজের জায়গা দখলের জন্য কী যুদ্ধটাই না করতে হয়।

বাস–ট্রাক, রেল, নৌপথে ছুটছেন গন্তব্যের উদ্দেশে। বুধবার প্রতিটি পথেই ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ছবিগুলো আজ বুধবার তোলা।

খোদ সংবিধান নিয়েই যদি মানুষের অসন্তোষ তৈরি হয়, তখন পরিবর্তনের বৈধতা কোথা থেকে আসবে?