সংশয় নিয়েই শুরু হলো ইরান–যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা
অবশেষে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন পর গতকাল রোববার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে।
অবশেষে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন পর গতকাল রোববার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে ইরানই জয়ী হয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আগ্রাসন শুরু করে, তখন চীনের শীর্ষ নেতারা বন্ধুভাবাপন্ন আরেকটি দেশের সরকার পতনের আশঙ্কা করছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।
মেলোনি বলেন, তিনি ট্রাম্পের বক্তব্যে অবাক হয়েছেন এবং এগুলো সম্পূর্ণ মনগড়া।
গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা স্মারকে সই করে।
গতকাল শুক্রবার লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির কথা জানায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ।
লেবাননের বিশ্লেষক সারকিস নাওম বলেন, ‘এটি একটি মহা সমঝোতা, যেখান থেকে ফেরার পথ নেই।
দক্ষিণ আফ্রিকায় এইচআইভি–এইডস প্রতিরোধ কর্মসূচির অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন সরকার।
মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বহনকারী উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ানের নতুন সংস্করণ উন্মোচন।
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকে সই করলেও নির্ধারিত শান্তি আলোচনা শুরু হয়নি।
ইরান চুক্তি: ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া হুঁশিয়ারি