মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে চাকরি, পদ ৩২
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ১১ গ্রেডের পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। মোট পদসংখ্যা ৩২। আবেদনের শেষ তারিখ ৩০ জুন ২০২৬।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ১১ গ্রেডের পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। মোট পদসংখ্যা ৩২। আবেদনের শেষ তারিখ ৩০ জুন ২০২৬।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতভুক্ত ৬৮টি শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
হলিউড তারকা রবার্ট ডাউনি জুনিয়র মাদকাসক্তি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে এখন ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক। স্ত্রী সুসান ডাউনির সমর্থন ও নিজের দৃঢ়তায় তিনি অভিনয়ে ফিরে অস্কারসহ বিশ্বখ্যাতি অর্জন করেন। ৪ এপ্রিল তাঁর জন্মদিন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতভুক্ত ৬৮টি শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
বগুড়ার শেরপুরে একজন মা তাঁর মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই তরুণকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড করেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নবম গ্রেডের চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ২০০ নম্বরের ৪ ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
১৩ ফেব্রুয়ারি বগুড়া সদরের সাবগ্রাম এলাকার ‘মায়ের আশ্রয়’ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে সামিউল হাসানকে ভর্তি করানো হয়েছিল।
গাইবান্ধা শহরের জিইউকে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে মুর্শিদ হক্কানী (৩৭) নামের মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের একটি নিয়মিত আয়োজন মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। গত ২৬ জুন ২০২৫ আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় অনলাইন মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। সভার আলোচক ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক (সাইকিয়াট্রি) ডা. মোহাম্মদ জোবায়ের মিয়া এবং সিটি হাসপাতাল লিমিটেডের সিনিয়র সাইকোথেরাপিস্ট ও কনসালট্যান্ট মাহমুদা মুহসিনা বুশরা।
সিআইডি রাজধানীর ৪০৮ জন শীর্ষ মাদক কারবারির তালিকা প্রস্তুত করেছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকা এই সিন্ডিকেটগুলো ইয়াবা ও হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদক নিয়ন্ত্রণ করছে।
গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবি।
ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, জেলখানাই এখন মাদক সেবনের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। বাইরে যত সহজে মাদক পাওয়া যায়, অনেক ক্ষেত্রে জেলের ভেতরেও তার চেয়ে সহজে পাওয়া যায়।