
মহাবিশ্বের সবচেয়ে বিশদ ত্রিমাত্রিক মানচিত্র উন্মোচন করেছেন বিজ্ঞানীরা
মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং বিশদ ত্রিমাত্রিক মানচিত্র উন্মোচন করেছেন বিজ্ঞানীরা।

মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং বিশদ ত্রিমাত্রিক মানচিত্র উন্মোচন করেছেন বিজ্ঞানীরা।

যুক্তরাষ্ট্র এখন আবার চাঁদে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই মহাকাশে ভিনগ্রহী বা ইউএফও নিয়ে জনমনে কৌতূহল নতুন করে দানা বাঁধছে।

পরিষ্কার রাতে শহর থেকে দূরে গেলে আমরা চাঁদ, বিভিন্ন গ্রহ ও অসংখ্য নক্ষত্র দেখতে পাই। এমনকি বড় শহরের আলোকদূষণের মধ্যেও কিছু উজ্জ্বল নক্ষত্র খালি চোখে স্পষ্ট দেখা যায়। আকাশ দেখার শুরুতে একটি বিশেষ কৌশল আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। একে বলা হয় হাতের মাপের কৌশল।

রহস্যময় ডার্ক ম্যাটারের সঠিক তথ্য জানতে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা।

রাতের আকাশে লাইরিড উল্কাপাত এবং গ্রহদের কক্ষপথের পরিবর্তন স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।

সূর্যের প্রচণ্ড উত্তাপে একটি বিশাল গ্রহাণু চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।

মহাবিশ্ব কেন দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে, তার কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা।

নাসার বিজ্ঞানীরা ১২০ আলোকবর্ষ দূরে অদ্ভুত এক সৌরজগত আবিষ্কার করেছেন, যেখানে পৃথিবীর মতো দুটি গ্রহ রয়েছে এবং গ্রহবিন্যাস আমাদের সৌরজগতের উল্টো। এই আবিষ্কার গ্রহ গঠনের প্রচলিত জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করেছে।

আর্টেমিস–২ অভিযানের চার নভোচারী শনিবার সকালে প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করেছেন। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় মহাকাশযানের গতি ছিল ঘণ্টায় ৪০ হাজার কিলোমিটার এবং তাপমাত্রা ২৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি গত পাঁচ দশকের পর প্রথম চাঁদপরিক্রমণ অভিযান।

আর্টেমিস-২ চন্দ্রাভিযান শেষে চার নভোচারী পৃথিবীতে ফিরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে সুস্থ ও খুশি আছেন। নাসার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা শিগগিরই হিউস্টনে ফিরবেন এবং পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন। ওরিয়ন ক্যাপসুল সান ডিয়েগো উপকূলে সফলভাবে অবতরণ করেছে।

আর্টেমিস-২ মিশনের চার নভোচারী চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করে প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করেছেন। মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে নিয়ে তাঁদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। এই অভিযানে একাধিক নতুন রেকর্ড গড়া হয়েছে।

নাসার আর্টেমিস প্রোগ্রামে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা। চাঁদে বসবাসে মানবদেহে মহাকর্ষ, বিকিরণ ও অন্যান্য প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞানীরা সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছেন।