মহাবিশ্বের সাতটি মাত্রার পুরোনো ধাঁধার সমাধান
বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, আমাদের মহাবিশ্বের অস্তিত্ব আসলে সাতটি মাত্রার ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে।
বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, আমাদের মহাবিশ্বের অস্তিত্ব আসলে সাতটি মাত্রার ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে।
২০২৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অত্যাধুনিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ১০ থেকে ১২ জনের মৃত্যু বা নিখোঁজ-জট এখনো খোলেনি
রহস্যময় ডার্ক ম্যাটারের সঠিক তথ্য জানতে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা।
সূর্যের প্রচণ্ড উত্তাপে একটি বিশাল গ্রহাণু চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।
মহাবিশ্ব কেন দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে, তার কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা।
প্রায় ৮০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে ভেসে আসা অত্যন্ত শক্তিশালী মেগা-লেজার সংকেত শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
নাসার বিজ্ঞানীরা ১২০ আলোকবর্ষ দূরে অদ্ভুত এক সৌরজগত আবিষ্কার করেছেন, যেখানে পৃথিবীর মতো দুটি গ্রহ রয়েছে এবং গ্রহবিন্যাস আমাদের সৌরজগতের উল্টো। এই আবিষ্কার গ্রহ গঠনের প্রচলিত জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করেছে।
বিজ্ঞানীরা প্রথমবার পর্যবেক্ষণ করেছেন আলোর ভিতরের অন্ধকার ভর্টেক্স আলোর গতির চেয়ে দ্রুত চলে। এটি আইনস্টাইনের তত্ত্ব লঙ্ঘন করে না, কারণ ভর্টেক্সে ভর বা তথ্য নেই। গবেষণাটি ন্যানো স্কেল গতির মানচিত্রণে সাহায্য করবে।
পর্যায় সারণির ১০৭ নম্বর বোরিয়াম মৌলটির নামকরণ নিয়ে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও জার্মানির বিজ্ঞানীদের মধ্যে তীব্র তর্ক হয়। ১৯৭৫ সালে ডুবনায় গবেষণা শুরু হলেও ইউপ্যাক ১৯৯৭ সালে নীলস বোরের নামে নামকরণের রায় দেয়। এটি কৃত্রিম তেজস্ক্রিয় মৌল যার কোনো ব্যবহারিক প্রয়োগ এখনো নেই।
নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, মঙ্গলের খনিজ থেকে অ্যারোসল কণা তৈরি করে ১৫ বছরে গ্রহটির তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি বাড়ানো যাবে। এটি তরল পানি ও মানব বসতির প্রথম ধাপ। কৃত্রিম চৌম্বকীয় ঢাল বায়ুমণ্ডল রক্ষা করবে।
ধূমকেতু সি/২০২৬ এ১ (ম্যাপস) সূর্যের পৃষ্ঠ থেকে মাত্র এক লাখ মাইল দূরে গিয়ে অক্ষত ফিরে এসেছে। এটি এখন পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যাচ্ছে। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিম আকাশে দিগন্তের কাছে এর উপস্থিতি লক্ষ করা সম্ভব।
একমাত্র মানুষেরই স্পষ্ট চিবুক রয়েছে, যা বিবর্তনের একটি উপজাত বা 'স্প্যান্ড্রেল'। নৃবিজ্ঞানী নোরিন ভন ক্রামন-টাউবাডেলের গবেষণায় বলা হয়েছে, এটি খুলি বড় এবং মুখ ছোট করার ফলে অবধারিতভাবে তৈরি হয়েছে। পুরনো তত্ত্বগুলো খণ্ডন করে নতুন ব্যাখ্যা এসেছে।