রুয়েটে পিএইচডি, এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং, এম ইঞ্জিনিয়ারিং, পিজিডি কোর্স, আবেদন শেষ ২৭ এপ্রিল
রুয়েট ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে পিএইচডি, এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং, এম ইঞ্জিনিয়ারিং ও পিজিডি কোর্সে ভর্তিতে আবেদন চলছে।
রুয়েট ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে পিএইচডি, এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং, এম ইঞ্জিনিয়ারিং ও পিজিডি কোর্সে ভর্তিতে আবেদন চলছে।
এডিবি বলছে, বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থায় ব্যাংক খাত প্রধান হলেও দীর্ঘদিনের দুর্বল শাসনব্যবস্থা, অপর্যাপ্ত তদারকি ও মূলধনের ঘাটতি এ খাতে সেবা দিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) বা প্রথম প্রান্তিকে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ শতাংশ বেড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো ভুগছে। জ্বালানিসংকট প্রকট হচ্ছে। এসব কারণে প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পার বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির মতো সংস্থাগুলো।
আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরকে জিডিপির নতুন ভিত্তি বছর করা হবে। আগারগাঁওয়ের জাতীয় পরিসংখ্যান ভবনে বিবিএস-এর সেমিনারে এ তথ্য প্রকাশ পায়। এতে জিডিপির আকার বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।
এডিবি চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক সংকটের কারণে প্রবৃদ্ধির হার কমেছে। পরের বছরে এটি ৪.৭ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।
বিশ্বব্যাংকের এপ্রিল প্রতিবেদন মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে বাংলাদেশে দারিদ্র্য বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক চাপের সতর্কতা দিয়েছে। চলতি বছর ১২ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে উঠতে পারবে না, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমবে। প্রতিবেদন সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে সরকারকে প্রস্তুতির আহ্বান জানিয়েছে।
নতুন সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যয় বাড়ালেও রাজস্ব আয়ের অনিশ্চয়তায় ঘাটতি মেটাতে বাড়তি ঋণের উপর নির্ভরশীল হচ্ছে। আগামী বাজেটের আকার ৯ লাখ কোটি টাকার বেশি হতে পারে, ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশের কাছাকাছি। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমন্বয় কাউন্সিলের বৈঠকে এসব লক্ষ্যমাত্রা ঠিক হয়েছে।
সরকারি ঋণ গ্রহণের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের বিভিন্ন মতামত রয়েছে। ধ্রুপদি থেকে কেইনসীয় তত্ত্ব পর্যন্ত ঋণের ভূমিকা এবং বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে। সরকারের নতুন ঋণ পরিকল্পনা এবং ঋণ-জিডিপি অনুপাত নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
২০২২–২৩ অর্থবছরে আয়কর ছাড় হিসেবে দেওয়া হয়েছে ১,০৭,১৩২ কোটি টাকা, যা জিডিপির ২.৩৯ শতাংশ। এনবিআর-এর বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে করপোরেট ও ব্যক্তিগত আয়করে ছাড়ের বিস্তারিত হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। করছাড় কমানোর সংস্কারপূর্ণ পরামর্শও রয়েছে প্রতিবেদনে।
সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেলের দাম ৪০% এবং এলএনজি ৫০% বাড়লে জিডিপি ১.২% কমতে পারে, রপ্তানি ২% এবং আমদানি ১.৫% হ্রাস পাবে। মূল্যস্ফীতি ৪% বাড়বে এবং প্রকৃত মজুরি ১% কমবে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সানেম নবায়নযোগ্য শক্তি ও মজুত তৈরির সুপারিশ করেছে।
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেশের জিডিপিতে ১.১% ক্ষতির আশঙ্কা করে ঢাকা চেম্বার সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেন, চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে। বিশ্বব্যাংকও ৩.৯% প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে। জ্বালানি সংকট শিল্প, রপ্তানি ও দারিদ্র্য হ্রাসে বাধা সৃষ্টি করছে।