নদের তলদেশে গ্যাসের লাইনে ছিদ্র, দেড় মাসেও ঠিক করা যায়নি
প্রথমে নির্গমন কম ছিল। পরে ধীরে ধীরে বাড়ে। গত এক সপ্তাহে গ্যাস বের হওয়ার চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। পানির ওপর পর্যন্ত ফোয়ারার মতো উঠতে থাকে।
প্রথমে নির্গমন কম ছিল। পরে ধীরে ধীরে বাড়ে। গত এক সপ্তাহে গ্যাস বের হওয়ার চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। পানির ওপর পর্যন্ত ফোয়ারার মতো উঠতে থাকে।
তবে সরবরাহ সংকট কাটতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
লোডশেডিং নিয়ে অসন্তোষও আছে। বিদ্যুৎ স্থাপনা ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে ২০টি থেকে নিয়মিত উৎপাদন চলছে, কিন্তু দৈনিক ১ বিসিএফ গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে। জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় সংরক্ষণ বাড়ানো, বিকল্প উৎস খোঁজা এবং দেশীয় সম্পদ উত্তোলনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
একটি এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, গ্যাসের স্বল্পচাপ, ভোগান্তি
সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু। তবে আবার বন্ধ এক্সিলারেটের টার্মিনাল।
রাজধানীতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে; ডিসেম্বরে নির্ধারিত ১,২৫৩ টাকার ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৫০০-২,১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
গ্যাসের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ একেবারেই কমে গেছে। কোনো কোনো এলাকায় চুলাই জ্বলছে না।
মহেশখালীর সামিট ও এক্সিলারেট এলএনজি টার্মিনাল চালু হওয়ায় দীর্ঘ ২৫ দিনের গ্যাস সংকটে কিছুটা স্বস্তি এসেছে।
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির ফলে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ঢাকাসহ সারা দেশে তীব্র স্বল্পচাপ দেখা দিয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি–সংকট সমাধানে সরকার কাজ করছে।
দেশি উৎসের গ্যাস উৎপাদন হ্রাস ও আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছে; নতুন শিল্পে গ্যাস-সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্তে উদ্যোক্তাদের মধ্যে বাড়ছে চরম অনিশ্চয়তা।