
ঢাকাস্থ দৌলতপুরবাসীর বর্ষবরণ উৎসব উদ্যাপন
পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ঢাকাস্থ দৌলতপুরবাসীর অংশগ্রহণে বর্ষবরণ উৎসব-১৪৩৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ঢাকাস্থ দৌলতপুরবাসীর অংশগ্রহণে বর্ষবরণ উৎসব-১৪৩৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও শিক্ষার্থীরা নববর্ষকে স্বাগত জানান।

পুরোনো দিনের গ্লানি, ব্যর্থতা মুছে দিয়ে নতুন বছর ব্যক্তিজীবন ও সমাজ-রাষ্ট্রে কল্যাণ বয়ে আনবে—এমন প্রত্যাশা সবার।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিতে দিনব্যাপী নানা আয়োজন ছিল মুক্তকণ্ঠ বৈশাখী উৎসবে।

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে নতুন বাংলা বছরকে বরণ করছে সিলেটবাসী। নগরের বিভিন্ন এলাকায় দিনভর চলছে গান, নৃত্য ও আবৃত্তির আয়োজন।

ফিনল্যান্ডের এস্পো শহরের একটি আন্তর্জাতিক স্কুলে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য বাংলা বর্ষবরণ উৎসব

পয়লা বৈশাখে চ্যানেল আই ও সুরের ধারার যৌথ আয়োজনে রবীন্দ্রসরোবরে হাজারো কণ্ঠে বর্ষবরণ হয়েছে। রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাসহ বিখ্যাত শিল্পীরা রবীন্দ্রসংগীতে মাতিয়ে তুলেছেন দর্শকদের। সংগীত ও প্রকৃতির মেলবন্ধনে স্বাগত জানানো হয়েছে বঙ্গাব্দ ১৪৩৩-কে।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে মুক্তকণ্ঠ বৈশাখী উৎসব শুরু হয়েছে গানের সুরে। রাজধানীর শেফস্ টেবিল কোর্টসাইডে দিনব্যাপী লোকজ প্রদর্শনী, খেলাধুলা, প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছে। সবার জন্য উন্মুক্ত এই উৎসব বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্য কৃষিকেন্দ্রিক উৎস থেকে উদ্ভূত, যা রাজা শশাঙ্ক ও আকবরের সময় জনপ্রিয় হয়। এটি দলমতধর্ম নির্বিশেষে সর্বজনীন উৎসব। রবীন্দ্রনাথের লেখায় এর চিরনূতন রূপ ফুটে ওঠে।

ছোটবেলার বৈশাখের সেই আনন্দময় দিনগুলো—আলপনা, পান্তা-ইলিশ, মেলা, ঘুড়ি, আইসক্রিম। গরমের মধ্যে শরবতের স্বস্তি, নাগরদোলার লাফানো মন। সেই সামান্য আনন্দ এখন স্মৃতির অমূল্য সম্পদ।

চৈত্রসংক্রান্তি ও পয়লা বৈশাখ উদযাপনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে লোকজ উৎসব জমে উঠেছে। যাত্রাপালা, লোকসংগীত, নৃত্য ও মেলার রঙে রঙিন হয়েছে চৈত্রের শেষ বিকেল। সংস্কৃতিমন্ত্রী উদ্বোধন করেন, জাতীয় নাট্যশালায়ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে।

চৈত্রসংক্রান্তির রাতে গুলশান সোসাইটি লেক পার্কসংলগ্ন ৬২ নম্বর সড়কে আলপনা উৎসবের আয়োজন করে। ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান উদ্বোধন করেন। পয়লা বৈশাখেও বৈশাখী উৎসবের প্রস্তুতি চলছে।