যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী কেন ইরান যুদ্ধ শেষ করতে পারছে না
ইরান তার সীমিত সামর্থ্যকেই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘গলার কাঁটা’ বানিয়ে ছেড়েছে।
ইরান তার সীমিত সামর্থ্যকেই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘গলার কাঁটা’ বানিয়ে ছেড়েছে।
ইরান যুদ্ধে কোনো পক্ষের জয় নেই, সবাই হেরে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল থেকে শুরু করে ইউরোপ, চীন, ভারত ও বাংলাদেশ—সবার অর্থনৈতিক, সামরিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে। এই ‘উলঙ্গ রাজা’ যুদ্ধে শেষে কেউ জয়ী থাকবে না।
রাশিয়া ও ইরান-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলো ড্রোন কেনায় ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার বাড়িয়েছে বলে চেইনঅ্যানালাইসিসের প্রতিবেদন। ইউক্রেন যুদ্ধের পর রুশপন্থীরা ৮৩ লাখ ডলারের বেশি ক্রিপ্টো সংগ্রহ করেছে। ব্লকচেইন এসব লেনদেন শনাক্ত করতে সহায়ক।
ট্রাম্প প্রশাসন ইরান যুদ্ধের খরচ আরব দেশগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, প্রেসিডেন্ট এ নিয়ে আগ্রহী। যুদ্ধের খরচ ইতিমধ্যে হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছে।
ইসলামাবাদে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থামানোর জন্য আলোচনা করছেন। হরমুজ প্রণালী খোলা এবং সরাসরি সংলাপের পথ তৈরির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান ইরানের সঙ্গে ফোনালাপ করে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে।
ইরান যুদ্ধে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় সংঘাত লোহিত সাগরে ছড়াচ্ছে, পেন্টাগন স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সৌদি আরব হরমুজ এড়িয়ে লোহিত সাগর দিয়ে তেল রপ্তানি করছে। পাকিস্তান কূটনৈতিক বৈঠক ডাকছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) পরিচালক ক্যাশ প্যাটেলের ব্যক্তিগত ই–মেইল হ্যাকের দাবি করেছে ইরান-সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা।
যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি তেল বিক্রি থেকে কয়েক শ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় করছে ইরান।
আগামী ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপের মাত্র কয়েক মাস আগে এই নাটকীয় সিদ্ধান্ত নিল ইরান।
হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিতে মালয়েশিয়ার জাহাজকে অনুমতি দিয়েছে ইরান, জ্বালানি সাশ্রয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে কুয়ালালামপুর।
দ্রুত ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চান ট্রাম্প
১৯৭৯ সালের বিপ্লব থেকে জন্ম নেওয়া ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান একটি জটিল ও স্তরভিত্তিক শাসনকাঠামো গড়ে তুলেছে।