এনবিআরের নিরীক্ষায় আরও ৫ হাজার করদাতা, আপনি আছেন কি না, জানবেন কীভাবে
২০২৩–২৪ অর্থবছরের জন্য জমা দেওয়া আয়কর রিটার্ন নিরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এই পর্যন্ত তিন দফায় এক লাখ করদাতার করনথি নির্বাচন করল এনবিআর।
২০২৩–২৪ অর্থবছরের জন্য জমা দেওয়া আয়কর রিটার্ন নিরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এই পর্যন্ত তিন দফায় এক লাখ করদাতার করনথি নির্বাচন করল এনবিআর।
বিদায়ী অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। যদিও রপ্তানি কমেছে দশমিক ৫৮ শতাংশ।
সেই অর্থে এই প্রদর্শনীকে বলা যায় জাগতিক ও মহাজাগতিকের মধ্যে এক সৃজনশীল সেতুবন্ধের শিল্পভাষা। রাজধানীর সফিউদ্দিন শিল্পালয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী শিল্পগুরু সফিউদ্দিন আহমেদের ১০৪তম জন্মবার্ষিকীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। তবে এই শ্রদ্ধা নিছক আনুষ্ঠানিক নয়; বরং একজন শিল্পীর আত্ম–অনুসন্ধানী যাত্রার মধ্য দিয়ে আরেক শিল্পগুরুকে স্মরণ। গত ২৬ জুন শুরু হওয়া প্রদর্শনীটি ৫ জুলাই পর্যন্ত দর্শকদের জন্য খোলা থাকবে।
নতুন অর্থবছর শুরু হয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতাকে সামনে রেখে। একদিকে শক্তিশালী জনসমর্থন ও সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দায়িত্ব নেওয়া নতুন রাজনৈতিক সরকার, অন্যদিকে কয়েক বছর ধরে চলমান অর্থনৈতিক সংকট।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি অনেক দিন ধরেই মন্থর অবস্থায় রয়েছে। নতুন অর্থবছরে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেন আবার গতিশীল হয়ে ওঠে।
সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমে যাওয়ায় সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় ফিরতে পারেনি। তবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল ও হিমায়িত পণ্যে প্রবৃদ্ধি আছে।
হরমুজ প্রণালি সংকটে জ্বালানিবাজারে অস্থিরতা বাড়লেও বিশাল মজুত ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির শক্তিতে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে চীন।
এসওএফআরভিত্তিক সুদহার পরিবর্তনের ঝুঁকি কমাতে নতুন ব্যবস্থা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক; ইউজেন্স আমদানিতে মিলবে আগাম সুরক্ষা।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন বিদায়ী অর্থবছরে ৫৫৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে। সংস্থাটির ইতিহাসে এটাই সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায়।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ২ হাজার ২৬০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটকে উচ্চাভিলাষী ও উন্নয়নমুখী বলা যায়।
নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ২০২৩-২৪ অর্থবছর। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের যাত্রা শুরু হয়েছে গতকাল।
প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া হয়ে চীনে গেছেন। অর্থনৈতিক স্বার্থের বিবেচনায় দুটি দেশই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের অন্যতম উৎস। সেখানে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ওপর বর্তমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বাংলাদেশে বড় চাওয়া। আর সহজ শর্তে ঋণ, বিনিয়োগ, অবকাঠামো নির্মাণে সহায়তা বা বাণিজ্য সম্পর্ক—যেকোনো বিবেচনায় চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগী। তবে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি ও কৌশলগত বিবেচনায় সফর দুটির মাত্রাগত পার্থক্য ও ভিন্নতা আছে।