‘৮০০ পাসে মৃত্যু’ থেকে ‘স্বপ্নের সমাপ্তি’—মেসিদের বিদায়ে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম
সম্ভবত এখানেই ইতি ঘটল লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ অধ্যায়েরও।
সম্ভবত এখানেই ইতি ঘটল লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ অধ্যায়েরও।
রোববার নিউইয়র্ক–নিউ জার্সিতে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন।
বিশ্বকাপে মেসি শেষটা ভালো করতে পারেননি। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে তাঁকে থাকতে হয়েছে বোতলবন্দী হয়ে।
ফাইনালে স্পেনের কাছে হারার পর মেজাজ হারিয়ে স্পেনের দুই ফুটবলার এরিক গার্সিয়া ও গাভিকে মেরেছেন লিয়ান্দ্রো পারদেস, যা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনাল চলাকালে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
কোনো গোল না করেও নিখুঁত পাস, অসাধারণ পজিশনিং ও ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে রদ্রির অবদান ছিল অনন্য। তাঁর হাতেই উঠেছে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে সিমনের হাতে উঠল গোল্ডেন গ্লাভও। বিশ্বকাপে তাঁর দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ের পুরস্কার।
ফাইনালের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিবাদন জানাতে অস্বীকার করেছেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো।
স্পেনের লাল ঝড়ের সামনে নীল-সাদা স্বপ্নগুলো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল। ভেঙে গেল মেসির স্বপ্নও।
পুরো টুর্নামেন্টে মার্তিনেজ ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। ডান হাতের অনামিকায় চোট লুকিয়ে খেলেছেন বিশ্বকাপ। তারপরও ১১টা সেভ, সংখ্যাটা অবিশ্বাস্য!
পাসের পর পাস, প্রেসিংয়ের পর প্রেসিংয়ে প্রতিপক্ষের দমবন্ধ করে শেষ দিকে গোল করে ম্যাচ জিতে নেওয়া। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্পেন তিনটি ম্যাচই জিতেছে এই ছকে।
সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল জিতেছেন চ্যাম্পিয়ন স্পেন দলের মিডফিল্ডার রদ্রি। এমবাপ্পে জিতেছেন সর্বোচ্চ গোলের গোল্ডেন বুট।