সমঝোতার পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বড় হামলা, পাল্টা আঘাত তেহরানের
পরপর দুই দিনে ইরানের প্রায় ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনায় ইরানের পাল্টা আঘাত। নিহত অন্তত ১৪ জন।
পরপর দুই দিনে ইরানের প্রায় ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনায় ইরানের পাল্টা আঘাত। নিহত অন্তত ১৪ জন।
টেক্সাসের একটি পানশালায় এক বন্দুকধারীর হামলায় ২ জন।
হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় কোনো বহিরাগত হস্তক্ষেপ ইরান মেনে নেবে না।
পরপর ঘটে যাওয়া এই দুটি ঘটনা মার্কিন ভূখণ্ডে হামলার আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইরাক যুদ্ধের দুই দশক পর মধ্যপ্রাচ্যে আকাশশক্তির সবচেয়ে বড় সমাবেশ ঘটিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
২০২৪ সালে এ জলপথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়েছে।
গত মার্চে সৌদি আরব ও ইরাকে সিআইএ-র স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলার পেছনে রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তা বা তথ্য সরবরাহের বিষয়টি তদন্ত করছে মার্কিন গোয়েন্দারা।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারির পর ইরানে টানা ১৩তম রাতে মার্কিন বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যাতে আহভাজ শহরের কাছে চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সোমবার ভোরে কুয়েতের সেনাবাহিনী জানায়, ইরানের আগ্রাসনের পর শত্রুপক্ষের ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে শুরু হওয়া অভিযানের ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা ফের অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাব এল–মান্দেব প্রণালিতে হুতিদের হামলায় চার নাবিক নিহত এবং ওমান সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি খুলবে না বলে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার বক্তব্যসহ নতুন কূটনৈতিক অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মিত্রদেশগুলো সহায়তা না দিলে সামরিক জোট ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।