
‘১৯৭১’ উপন্যাসে নীলগঞ্জ গ্রামে ফুটে উঠেছে মুক্তিযুদ্ধের ছবি
প্রিয় এসএসসি পরীক্ষার্থী, শুভেচ্ছা রইল। বাংলা ১ম পত্রের সহপাঠ ‘১৯৭১’ উপন্যাস থেকে একটি দরকারি বর্ণনামূলক প্রশ্ন দেওয়া হলো। তোমরা মনোযোগসহকারে পড়বে।

প্রিয় এসএসসি পরীক্ষার্থী, শুভেচ্ছা রইল। বাংলা ১ম পত্রের সহপাঠ ‘১৯৭১’ উপন্যাস থেকে একটি দরকারি বর্ণনামূলক প্রশ্ন দেওয়া হলো। তোমরা মনোযোগসহকারে পড়বে।

মুক্তিযুদ্ধের উপপ্রধান সেনাপতি, এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার গত ২০ ডিসেম্বর ৯৫ বছর বয়সে ঢাকায় ইন্তেকাল করেন।

জামায়াতের এমপি আবদুল মুনতাকিম সংসদে নিজেকে ‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ দাবি করে যা বলেছেন, এটি ভুলক্রমে তাঁর মুখ থেকে বেরিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন।

ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে গান ও আলোচনায় কামাল লোহানীকে স্মরণ করল উদীচী।

জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে নিজের জীবিত বাবাকে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বলে বিপাকে পড়েছেন নীলফামারী–৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম।

নীলফামারীর সৈয়দপুরের গোলাহাটে একটি স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। এটি নির্মিত হয়েছে ১৯৭১ সালে গোলাহাটিতে বিহারি ও পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নিহত ৪৫০ জন হিন্দু ও মাড়োয়ারির স্মরণে; কিন্তু স্মৃতিস্তম্ভটি এখনো অসমাপ্ত। এর মতোই অসমাপ্ত এই গণহত্যার স্বীকৃতি।

হত্যাকারীদের অনেকেই মাড়োয়ারিদের চেনাজানা ও পরিচিতজন। অনেক অনুনয়–বিনয় করেও বাঁচতে পারেননি তাঁরা।

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও একাত্তরে বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের মুজিব বাহিনীর প্রধান মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন মারা গেছেন।

জাতীয় সংসদ প্রয়াত মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ ও নীরবতা পালন করেছে।

বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পের যে ধারা, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন থেকে কামরুল হাসান পর্যন্ত, সেটা মূলত ‘মানুষীয়’ ধারা। দুর্ভিক্ষের মানুষ, মুক্তিযুদ্ধের মানুষ, মাটির মানুষ। এই ধারায় ছবি একটা সাক্ষ্য দেয়; ঘটনার, সময়ের, যন্ত্রণার। কিবরিয়া এই ধারার বাইরে। তবে বিপরীতে নন, অন্য কোথাও। তিনি সাক্ষ্য দেন না, তিনি একটা অবস্থা তৈরি করেন। পার্থক্যটা সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ।

কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ যেন চিরযৌবনের প্রতীক। ব্যক্তিজীবন, কবিতা, সমাজ ও রাষ্ট্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে বশ্যতার নিয়ম ও আধিপত্যবাদী দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে ছিল তাঁর বিদ্রোহ। বিট–প্রজন্মের নেতা ও ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধী এই কবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের পক্ষে। লিখেছিলেন তাঁর অমর কবিতা ‘যশোর রোডে সেপ্টেম্বর’। ৩ জুন এই কবির জন্মশতবর্ষ পূর্ণ হলো।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে অ্যালেন গিন্সবার্গ লিখেছিলেন তাঁর কিংবদন্তি কবিতা ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’। এ জন্য বাংলাদেশের হৃদয়ে তাঁর জন্য একটি বিশেষ আবেগ রয়েছে।