সামরিক বরাদ্দ নিয়ে বিরোধে পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি।
ব্রিটেনের সামরিক ব্যয় বাড়ানোর ক্রমবর্ধমান চাহিদা কীভাবে মেটানো হবে, তা নিয়ে কয়েক মাস ধরে প্রতিরক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনা চলছিল।
ব্রিটেনের সামরিক ব্যয় বাড়ানোর ক্রমবর্ধমান চাহিদা কীভাবে মেটানো হবে, তা নিয়ে কয়েক মাস ধরে প্রতিরক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনা চলছিল।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ট্রাম্পের নির্দেশে ইউএফও-সংক্রান্ত গোপন নথি প্রকাশ করেছে। অজ্ঞাত বস্তুর ছবি-ভিডিও ভবিষ্যতেও প্রকাশ চলবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে ভিনগ্রহী প্রাণের কোনো প্রমাণ নেই।
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যয়কে শুধু সরঞ্জাম কেনায় নয়, দেশীয় শিল্প ও উদ্ভাবনের ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব। বিশ্বের সফল মডেল যেমন আর্মড ফোর্সেস-ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া নেক্সাস থেকে শিক্ষা নিয়ে জাতীয় নীতি প্রণয়নের আহ্বান। এতে অর্থনৈতিক-সামরিক উন্নয়ন সম্ভব।
ইরান যুদ্ধের মধ্যে ট্রাম্প ২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রতিরক্ষা খাতে ৫০০ বিলিয়ন ডলার বাড়াতে চান, যা মোট বাজেটকে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাবে। অন্যান্য খাতে ১০% ছাঁটাইয়ের প্রস্তাব করেছেন তিনি, যদিও কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন। সামরিক বাহিনীর বেতনবৃদ্ধি এবং গোল্ডেন ডোম প্রকল্পের জন্য বিশাল বরাদ্দ অন্তর্ভুক্ত।
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর। দুই পক্ষের কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
রিয়াদ, আঙ্কারা ও ইসলামাবাদের কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলছেন, চুক্তিটি অন্য কোনো জোটের বিকল্প নয়। বরং এটি বিদ্যমান জোটগুলোর পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।
ইরানকে লক্ষ্য করে নয়; সৌদি আরবের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করা ও হুতিদের হুমকি মোকাবিলায় সহযোগিতার অংশ হিসেবে সৌদি জোটে যোগ দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেনশিয়াল বিশেষ দূত সার্জিও গরের ঢাকা সফর ও যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ-সম্পর্কিত অবস্থান নিয়েও তিনি কথা বলেন।
চলতি বছর এরই মধ্যে দুইবার মন্ত্রিসভায় রদবদল এনেছেন জেলেনস্কি।
জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেটে জনপ্রশাসন, ঋণের সুদ পরিশোধ, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিরক্ষানীতি ২০১৮ ছিল রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা–ভাবনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করতে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করেছে ইরান।
২০২৫ সালে বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় পৌঁছেছে ২ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারে।