
মহানবীর প্রিয় খাবার ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাস
বিলাসিতা নয়, বরং যা পাওয়া যেত তা দিয়েই তিনি তৃপ্ত হতেন। তাঁর প্রিয় খাবারগুলোর মধ্যে এমন কিছু খাদ্য ছিল, যা আজও পুষ্টিবিজ্ঞানে অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে স্বীকৃত।

বিলাসিতা নয়, বরং যা পাওয়া যেত তা দিয়েই তিনি তৃপ্ত হতেন। তাঁর প্রিয় খাবারগুলোর মধ্যে এমন কিছু খাদ্য ছিল, যা আজও পুষ্টিবিজ্ঞানে অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে স্বীকৃত।

সালাদের কাঁচা সবজি, পাতা ও ফলমূল থেকে আপনি পাবেন আঁশ। আরও পাবেন নানা রকম ভিটামিন আর খনিজ উপাদান।

অনেকেরই দিনে অধিক মাত্রায় চা–কফি খান, গরমকালে এই অভ্যাস বাদ দিন। বেশি চা–কফি গ্রহণে শরীরের তাপমাত্রা আরও বেড়ে যেতে পারে।

নবীজি (সা.) খেজুরকে কেবল দস্তরখানের সৌন্দর্য হিসেবে দেখেননি, একে ক্ষুধা নিবারণ ও শরীরে দ্রুত শক্তি জোগানোর প্রধান উৎস হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইউটিউবে ব্লগ বা ফেসবুক রিলে এমন তথ্য দেখা যায় যে ক্যালসিয়াম বা বিশেষ কিছু পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হলেই তৈরি হয় আইসক্রিম ক্রেভিং। আসলেই কি তা ঠিক?

খুদে পানার মতো একধরনের জলজ ফার্ন হলো অ্যাজোলা। চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের কৃষকদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই অ্যাজোলার ব্যবহার। কেউ ধানি জমিতে অ্যাজোলা ব্যবহার করছেন সার হিসেবে, কেউ আবার পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে খাওয়াচ্ছেন গবাদিপশু, মাছ ও হাঁস-মুরগিকে।

অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত বা বাজারের রঙিন পানীয়র বদলে লেবুপানি বা চিনি ছাড়া তাজা ফলের রস বেছে নিন।

গত ২০ বছরে রাকেশের অল্প জমির প্রান্তিক চাষি পরিবার পৈতৃক ভিটেমাটির বড় অংশই বিক্রি করেছে বহুজাতিক রিয়েল এস্টেট সংস্থার কাছে। সেই বিক্রির টাকায় উঠেছে দোতলা বাড়ি, উঠোনে গাড়ি, ঘরে পুষ্টিকর খাবারের নিশ্চয়তা। আর সবচেয়ে বড় কথা, সন্তানদের জন্য শিক্ষার সুযোগ, যা তাদের সম্প্রদায়ের অনেকের কাছেই দীর্ঘদিন অধরা ছিল।

শিশুরা প্রতিদিন এক থেকে দুটি খেজুর খেতে পারে। শিশুদের খেজুর খাওয়াতে চাইলে বীজ ফেলে ছোট টুকরা করে বা চটকে দেওয়া নিরাপদ।

কেউ কেউ বলেন, দই খেয়ে পানি খেতে নেই। আবার অনেকে দইয়ের সঙ্গে পানি মিশিয়ে মজাদার পানীয়ও তৈরি করেন। আদতে দইয়ের সঙ্গে পানি খাওয়া কি ক্ষতিকর?

ঠান্ডা, সুগন্ধি আর চমৎকার স্বাদের কারণে ইফতারে অনেকের টেবিলেই থাকে বেলের শরবত। প্রশ্ন হলো, বেলের শরবত কি সত্যিই শরীরের জন্য উপকারী?

ইফতারে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে পেটের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এমন খাবার খেতে হবে, যেটা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াবে, নিয়ন্ত্রণে রাখবে গ্লুকোজের মাত্রা।