সড়ক অবরোধ, নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি
সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু। তবে আবার বন্ধ এক্সিলারেটের টার্মিনাল।
সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু। তবে আবার বন্ধ এক্সিলারেটের টার্মিনাল।
সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজি জাহাজ থেকে গ্যাস খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না, ফলে দেশে আবারও গ্যাসের সরবরাহ কমেছে এবং সংকট বাড়ছে।
গুদামে মজুত থাকা পণ্য আপাতত সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের সরবরাহ–সংকট তৈরি হয়নি।
চট্টগ্রামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বাজারে স্বস্তি এখনো পুরোপুরি ফেরেনি। সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও দাম কমেনি।
সরকারি সিদ্ধান্তে সন্ধ্যা ৬টার পর সিএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকায় ক্ষুব্ধ চালকদের 의해 সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়ক অবরোধ করা হয়, যার ফলে ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
গ্যাসের সরবরাহ আরও কমেছে। কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। খরচ কমাতে তেল থেকে উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে না।
মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরে মার্কিন গ্যাস ট্যাংকারে ড্রোন হামলার পর সুয়েজ খাল ও সুমেদ পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, যা দৈনিক ৫০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।
জাতীয় সংসদে আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়ে সরকারের অবস্থান জানিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। জ্বালানি সংকট, গ্যাস ঘাটতি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোসহ বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। সংসদে জ্বালানি সরবরাহ ও শব্দচয়ন নিয়েও বিতর্ক হয়।
গ্যাসের সরবরাহ কমেছে, কিছুটা লোডশেডিং হতে পারে। আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার অনুরোধ।
শিল্পমালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে প্রায় এক মাস ধরে গ্যাসের বেশি সরবরাহ–সংকট রয়েছে। এর মধ্যে গত সপ্তাহে এই সংকট তীব্র হয়েছে।
শত শত সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বাস ও মাইক্রোবাসের চালকদের কর্মঘণ্টা এখন গ্যাসের লাইনে নষ্ট হচ্ছে। দৈনিক ঘাটতির মধ্যেই সীমিত সরবরাহ চালাতে হচ্ছে—এমনটাই জানিয়েছে কেজিডিসিএল ও সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম নগরে গ্যাস না পেয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকেরা ষোলশহরে সড়ক অবরোধ করেন। পুলিশি অনুরোধে পরে তাঁরা সড়ক থেকে সরে যান; ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তারা গ্যাসের সরবরাহ না থাকাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।