যেভাবে সম্পন্ন করবেন পবিত্র তাওয়াফ
তাওয়াফ শুরুর আগে পুরুষদের ইহরামের পোশাকে বিশেষ পরিবর্তন আনতে হয়। ইহরামের ওপরের অংশ বা চাদরটি ডান বগলের নিচ দিয়ে এনে বাঁ কাঁধের ওপর রাখতে হয়।
তাওয়াফ শুরুর আগে পুরুষদের ইহরামের পোশাকে বিশেষ পরিবর্তন আনতে হয়। ইহরামের ওপরের অংশ বা চাদরটি ডান বগলের নিচ দিয়ে এনে বাঁ কাঁধের ওপর রাখতে হয়।
কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত নামাজের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে পাপ ও মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকার প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। নবীজি (সা.)-এর উদাহরণসহ নামাজের প্রভাব ও খুশু-খুজুরের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। সঠিকভাবে আদায় করা নামাজ জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।
ইমাম ইবনুল কাইয়িম বিষয়টি জোরালোভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, অজুর শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ এবং শেষে শাহাদত পাঠ ছাড়া মাঝখানে কোনো বিশেষ দোয়া পড়া সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
মহানবী (সা.) বলেছেন, প্রতিটি ভালো কাজই সদকা। ধনী-দরিদ্র সবার জন্য দৈনন্দিন কাজগুলো পুণ্যের পথ খুলে দিয়েছে। হাদিসের আলোকে সদকার বিস্তৃত রূপ তুলে ধরা হয়েছে।
শরীয় কারণে রমজানে রোজা ভাঙলে কাজা বাধ্যতামূলক, কিন্তু বিলম্বের বিধান কী? হানাফি মতে কেবল কাজাই যথেষ্ট, অন্যান্য মতে ফিদইয়াও দিতে হয়। দুর্বল বা বয়স্কদের জন্য ফিদইয়ার সুবিধা রয়েছে।
অভাবী ঋণগ্রহীতার পাওনা মকুফ করা নফল সদকা হয়, কিন্তু সরাসরি জাকাত হিসেবে গণ্য করা অধিকাংশ আলেমের মতে জায়েজ নয়। বিশেষ শর্তে বিকল্প পথ রয়েছে। কোরআন ও আলেমদের মতামতসহ বিস্তারিত।
রমজানের পর ইবাদতের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক দৃঢ়তা জরুরি। এখানে ১০টি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হয়েছে, যা কোরআন, হাদিস ও সাহাবিদের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত। এগুলো অনুসরণ করলে সারা বছর আধ্যাত্মিক আমেজ বজায় থাকবে।
শাওয়াল মাস থেকেই হজের আনুষ্ঠানিক মানসিক শারীরিক ও আর্থিক প্রস্তুতি শুরু হয়। কারণ, এই মাস হজের তিনটি মাসের (শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ) প্রথম মাস।
নামাজে মনোযোগ হারানো মানেই সব শেষ নয়; বরং বারবার চেষ্টা করাই হলো মুমিনের কাজ। সঠিক কৌশলের মাধ্যমে শয়তানের এই প্রতিবন্ধকতা জয় করা সম্ভব।
আল্লাহর অনুগত হলে সব ধরনের মন্দ কাজ থেকে বাঁচা সহজ হয়। যেমন আল্লাহ-তাআলা ইউসুফ (আ.)-কে মিসরের আজিজের স্ত্রীর অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেছিলেন।
‘নামাজ কায়েম’ বলতে কেবল দায়সারাভাবে পড়া নয়, বরং নামাজের নিয়ম-কানুন, সময় ও একাগ্রতা বজায় রেখে যথাযথভাবে আদায় করাকে বোঝানো হয়েছে।
এই আমলটির ভিত্তি বা সংশ্লিষ্ট হাদিসটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলেমদের মধ্যে কিছু বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে হাফেজ ইবনুদ দিহিয়া এই হাদিসটিকে দুর্বল প্রমাণের চেষ্টা করেছিলেন।