
সমকামিতা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের কড়া সমালোচনার পরই বরখাস্ত সেনেগালের প্রধানমন্ত্রী
সেনেগালে সরকার ভেঙে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বাসিরু দিওমায়ে ফায়ে।

সেনেগালে সরকার ভেঙে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বাসিরু দিওমায়ে ফায়ে।

বিচার বিভাগীয় সচিবালয় বিলুপ্তি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর আঘাত বলে মনে করেন আইনজীবী শিশির মনির।

বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের ১৫ বিচারককে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে বিএনপি আসলে কেমন সরকার হতে চায়? রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর কর্তৃত্ব বজায় রাখা একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণমূলক সরকার, নাকি জবাবদিহিমূলক সরকার?

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথে যাত্রার একটি সম্ভাবনা হিসেবে দেখা যেতে পারে।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শিশির মনির ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশের সংশোধনীতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ব্যাংক লুটেরাই আবার ব্যাংকের মালিক হচ্ছে। গুম অধ্যাদেশ, গণভোট ও বিচারকদের শোকজসহ বিভিন্ন বিষয়ে তারা সরকারের বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠা–সংক্রান্ত অধ্যাদেশ রহিত করা হলেও এ বিষয়ে সংসদে নতুন বিল আনা হবে।

জাতীয় সংসদে ব্যাংক রেজোল্যুশন বিল পাস হয়েছে। নতুন ১৮(ক) ধারায় একীভূত দুর্বল ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীরা নির্দিষ্ট শর্ত পালন করে মালিকানায় ফিরে আসতে পারবেন। অধ্যাদেশের মূল কাঠামো অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে সংসদ শুধু রাজনৈতিক লাভেরগুলো পাস করছে, জবাবদিহির প্রশ্ন এড়িয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার বিল পাসে বিরোধী বিরোধিতা করলেও দলীয় প্রশাসক নিয়োগের বিধানে আপত্তি। সংসদ সদস্যদের আনাড়িপনা ও সংস্কার উপেক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ।

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্বাহী বিভাগের একচ্ছত্র আধিপত্য ঠেকাতে বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতার কোনো বিকল্প নেই।

বিচার বিভাগ সংস্কারে বিএনপির অতীতের দাবি এবং সাম্প্রতিক অবস্থানের মধ্যে অসংগতি দেখা দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট–সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্টের সাম্প্রতিক রায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন আলোচনা জাগিয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ দিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যাবে না, সংসদে আইন প্রণয়নের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জরুরি। অধ্যাদেশের অভাবে সরকারের অঙ্গীকার প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এটি শাহদীন মালিকের মতামত।