
কুয়েতে প্রতি ৩৪ মিনিটে এক বিয়ে, ৭৫ মিনিটে এক বিচ্ছেদ
বিয়ে চুক্তির সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৪৩টি, গড়ে প্রতিদিন ৩৮টি চুক্তি

বিয়ে চুক্তির সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৪৩টি, গড়ে প্রতিদিন ৩৮টি চুক্তি

ইরানে বিক্ষোভ: হাজারো মানুষকে হত্যা করল কারা

গত বছরের শেষ দিকে ইরানের একাধিক শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট এবং গত জুনে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্লান্তির সমন্বয়ে মানুষ ফুঁসে ওঠে।

গাজায় যুদ্ধবিরতির কথা বলে পশ্চিমা দেশগুলো যখন নিজেদের কৃতিত্ব প্রচার করছে, ঠিক সেই সময় দখলকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিরা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি সহিংসতার শিকার হচ্ছে।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র শান্তি পর্ষদের সদস্যদের আনুষ্ঠানিক তালিকা ঘোষণা করতে পারে।

প্রতিবেশী দেশগুলো জানে, এমন কোনো সংঘাত খুব দ্রুত সীমান্তের বাইরে ছড়িয়ে পড়বে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা কেন এত সহজ না

কয়েক বছর আগে অনেক আরব দেশ, বিশেষ করে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো হয়তো ইরানে হামলা চালিয়ে সেখানকার শাসন পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ইতিবাচকভাবে দেখত।

কাতারে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘বৈরিতা নয় বন্ধুত্ব’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান।

গত বছরের শেষের দিকে ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর পরপরই সোমালিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এর তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

২০২৬ সালের বিক্ষোভ কয়েকটি কারণে আলাদা গুরুত্ব বহন করে। এই আন্দোলন শুরু হয় এমন এক সময়ে, যখন আঞ্চলিক পর্যায়ে ইরান বড় ধরনের কৌশলগত চাপের মুখে ছিল।

গত এক সপ্তাহে এমন কিছু উদ্ভট বামপন্থীকে খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল না, যারা ইরানের প্রতিবাদকারীদের সাম্রাজ্যবাদের অসহায় হাতিয়ার বলে আখ্যা দেয়। এদের কেউ কেউ আবার নিকোলা মাদুরো যে স্বৈরশাসক, সেটা স্বীকার করতে চায় না। তারা খামেনি বা মাদুরোর প্রশংসা না করলেও তাদের শাসনব্যবস্থার পতনও চায় না।