
ইরানে মার্কিন সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই ট্রাম্পের
ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।

ইরান ও কাতারের গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জেরে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ছোট্ট কিউবা, ফিদেল কাস্ত্রোর কিউবা, চে গুয়েভারার কিউবা মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে বলা যায়।

‘কেপলার’-এর মতে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের এলএনজি আমদানির যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ ও ৭০ শতাংশ পায় কাতার থেকে।

হামলার জেরে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের জ্ঞাতসারেই ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারগুলো ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালি ত্যাগ করছে।

চলমান এই সংঘাতের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয় দেশই এফ-৩৫ ব্যবহার করছে। এসব যুদ্ধবিমানের একেকটির নির্মাণে ব্যয় হয় ১০ কোটি ডলারের বেশি।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর দেশ দুটির হয়ে কাজ করা গুপ্তচর আটক।

ইরান যুদ্ধে জড়ালে সৌদির পাশে দাঁড়াবে পাকিস্তান

গত বছর কাতারে ইসরায়েলের হামলার পর সৌদি আরব ও পাকিস্তান পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি করে।

ইরান জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো চিন্তাই করছে না। তবে যুক্তরাষ্ট্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে তারা অনড়।

বিখ্যাত সামরিক তাত্ত্বিক কার্ল ফন ক্লজউইটজ বলেছিলেন, যুদ্ধ হলো মূলত ইচ্ছাশক্তির সংঘাত।