বিশ্বকাপে নিখুঁত এক ঝড়ে আনন্দের রং লাল
নারী ও পুরুষ সব পর্যায়ের ফুটবল মিলিয়ে সর্বশেষ ৫ বছরে ১৬টি ট্রফি জিতেছে স্পেন। বিশ্বকাপ জেতার পর তরুণ খেলোয়াড়দের দিকে তাকিয়ে বলা যায় নিকটবর্তী ভবিষ্যতও স্পেনের।
নারী ও পুরুষ সব পর্যায়ের ফুটবল মিলিয়ে সর্বশেষ ৫ বছরে ১৬টি ট্রফি জিতেছে স্পেন। বিশ্বকাপ জেতার পর তরুণ খেলোয়াড়দের দিকে তাকিয়ে বলা যায় নিকটবর্তী ভবিষ্যতও স্পেনের।
১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে ফ্যাসিবাদী শাসক বেনিতো মুসোলিনির হস্তক্ষেপে ইতালি শিরোপা জেতে। চেকোস্লোভাকিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি। নকআউট ফরম্যাট, বাছাইপর্ব ও রোমাঞ্চকর ঘটনায় ভরা এই টুর্নামেন্টের স্মৃতি।
মেসি কেন জানতে চাইলে ওই তরুণ বিস্ময়ের সঙ্গে তাকান। বলেন, ‘আরে মেসির ওপরে আর কে আছে! সর্বকালের সেরা ফুটবলার তো মেসিই।’
ইতালি টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপ বাছাই উতরাতে না পেরে কোচ জেনারো গাত্তুসো ‘হৃদয়ে কষ্ট’ নিয়ে পদত্যাগ করেছেন। এর আগে এফআইজিসি প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল গ্রাভিনা ও ডেলিগেশন প্রধান জিয়ানলুইজি বুফনও পদত্যাগ করেন। সমর্থকদের ক্ষোভের মুখে ইতালি ফুটবলের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন এসেছে।
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।
ইস্তাম্বুলে পৌঁছে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষ করেছেন মোহাম্মদ সালাহ। আজ রাতেই তাঁর ত্রাবজোন শহরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট কাটার পর ম্যাচসেরার পুরস্কারটি যখন হাতে নিলেন লামিনে ইয়ামাল, তাঁর চোখেমুখে খুব একটা উচ্ছ্বাস দেখা গেল না; বরং ক্যামেরার ফ্ল্যাশলাইটের সামনে তাঁর শরীরী ভাষায় মিশে ছিল একরাশ উদাসীনতা, যা কিছুদিন আগে অস্ট্রিয়া ম্যাচের পরও দেখা গিয়েছিল।
হিউস্টনে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে পর্তুগালের ৫–০ গোলের জয়ে জোড়া গোল করেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পর্তুগিজ কিংবদন্তি।
ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম ২০২৬ বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন, যাতে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কামাভিঙ্গা বাদ পড়েছেন। দলের ভারসাম্য রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমবাপ্পের নেতৃত্বে ফেভারিট দল তৃতীয় শিরোপার খোঁজ করবে।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে এমন কিছু খেলোয়াড় আছেন, যাঁরা চূড়ান্ত দলে জায়গা না পাওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের পদক গলায় ঝুলিয়েছেন, হাতে তুলেছেন ট্রফি।
বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন রদ্রিগো দি পল; দাবি করলেন, অনেকে আর্জেন্টিনার পতন দেখার অপেক্ষায় ছিলেন।
অপুষ্টিতে ভোগা দিয়াজ শৈশবে এমনই তালপাতার সেপাই ছিলেন যে কোচরা বলতেন, এই ছেলেকে দিয়ে ফুটবল হবে না।