
জ্বালানি সংকটের কারণে চ্যালেঞ্জের মুখে পণ্য সরবরাহ
লোডশেডিংয়ে শিল্পকারখানার উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। কারণ, জেনারেটরের জন্য পাম্প থেকে তেল মিলছে না। তেলের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের পণ্য সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।

লোডশেডিংয়ে শিল্পকারখানার উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। কারণ, জেনারেটরের জন্য পাম্প থেকে তেল মিলছে না। তেলের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের পণ্য সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।

জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা ঠেকাতে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করেছে সরকার।

জ্বালানি তেলের মজুত কতটা, আতঙ্ক কতটা যৌক্তিক

শুধু শেওড়াপাড়া নয়, রাজধানীর অনেক স্থানেই বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি সরবরাহ ধীর হয়ে গেছে। জ্বালানি না থাকলে বিদ্যুৎ আসবে কোথা থেকে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে ছয় মাস ধরে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) টিকার তীব্র সংকট চলছে। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় কুকুর বা বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত রোগীরা টিকা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।

বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (বিইপপাএ) আজ বৃহস্পতিবার এই বক্তব্য দিয়েছে।

সরকার থেকে সরকার পর্যায়ে এলপিজি আমদানির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিপিসিকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ—দুটোতেই সংকট দেখা দেওয়ায় ঢাকাজুড়ে বাসিন্দারা প্রতিদিনের রান্না চালাতে মারাত্মক সমস্যায় পড়েছেন।

সরবরাহ বাড়েনি। এলপিজির ১০ শতাংশ ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ৫ শতাংশ যায় পরিবহনে। আয় কমে গেছে গ্যাস স্টেশনের।

গ্যাসের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ একেবারেই কমে গেছে। কোনো কোনো এলাকায় চুলাই জ্বলছে না।

ঢাকায় রান্নার জ্বালানির উৎস মূলত দুটি—তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির পাইপলাইনে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস।