সুস্থ দেহ ও মনের জন্য মহানবী (সা.)–এর ১০ সুন্নাহ
মহানবী (সা.) তাঁর জীবনে শুধু আধ্যাত্মিক সাধনাই করেননি, বরং শরীরচর্চা, খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এক অনন্য আদর্শ স্থাপন করেছেন।
মহানবী (সা.) তাঁর জীবনে শুধু আধ্যাত্মিক সাধনাই করেননি, বরং শরীরচর্চা, খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এক অনন্য আদর্শ স্থাপন করেছেন।
একবার একটি ছাগল এসে তাঁর প্রস্তুত করা খাবারের কিছু অংশ খেয়ে ফেললে তিনি স্ত্রীকে ধৈর্য ধরতে বলেন এবং প্রতিবেশীর প্রতি কোনো অভিযোগ না করতে নির্দেশ দেন।
নবীজি (সা.) শিখিয়েছেন সততা ও বিশ্বস্ততাই হলো ব্যবসার আসল মূলধন। একজন সফল উদ্যোক্তা বা কর্মজীবী হওয়ার জন্য তাঁর জীবন থেকে ১০টি বৈপ্লবিক সূত্র তুলে ধরা হলো।
আমরা কীভাবে কথা বলি, আমাদের অঙ্গভঙ্গি কেমন এবং মানুষের সঙ্গে আমাদের আচরণ কতটা মার্জিত—এসবের ওপরই নির্ভর করে সামাজিক ও পেশাগত গ্রহণযোগ্যতা।
নবম হিজরির সিদ্দিকি হজ ছিল দশম হিজরির বিদায় হজের এক অপরিহার্য প্রস্তুতি। এই হজের মাধ্যমে কাবা শরিফকে শিরক ও জাহেলি আচার থেকে মুক্ত করা হয় এবং হজের বিধানাবলি ঘোষণা করা হয়।
উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.)-এর জীবন থেকে দাম্পত্য জীবনে ত্যাগ ও আনুগত্যের শিক্ষা। নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে তাঁর প্রায় নয় বছরের সম্পর্কে ছবি ও খাবার ভাগাভাগির ঘটনা দুটি চমৎকার দৃষ্টান্ত। এগুলো পারিবারিক শান্তির ভিত্তি গঠনে সাহায্য করে।
নেতৃত্বের প্রকৃত সংজ্ঞায় মহানবী (সা.)-এর চেয়ে সফল কেউ নেই। তাঁর জীবন থেকে সফল নেতা বা সংগঠক হওয়ার ১০টি অনন্য সূত্র তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো অনুসরণ করে যেকোনো দলকে সাফল্যের শিখরে নেওয়া সম্ভব।
দশম হিজরিতে মহানবী (সা.)-এর হজযাত্রা শুরু হয়। মদিনায় জড়ো হয় বিপুল জনতা তাঁর সঙ্গী হওয়ার আকাঙ্ক্ষায়। খুতবায় তিনি হজের নিয়ম ও শিক্ষা বর্ণনা করেন এবং সাধারণভাবে যাত্রা শুরু করেন।
রাখাল ছেলে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের সততায় মুগ্ধ হয়ে নবী (সা.) অলৌকিকভাবে দুধ দেন। তিনি নবীজির বিশ্বস্ত খাদেম, যুদ্ধবীর এবং কোরআনের শীর্ষ বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠেন। রাসুল (সা.) চার সাহাবির মধ্যে তাঁকে কোরআন শেখার জন্য সর্বোচ্চ স্থান দেন।
কোথায় সেই গৃহ? কোথায় শৈশবের সেই খেলার মাঠ? সেখানকার লোকেরা কেন ও কীভাবে মক্কায় এসেছিল? মক্কা থেকে সেখানে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
হাদিসের আলোকে একজন মুমিন কখনো নিজেকে অক্ষম মনে করবেন না। বরং সে জানবে, তার সম্ভাবনা অসীম, যা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসের মাধ্যমে বিকশিত হতে পারে।
সাফল্য কোনো আকস্মিক প্রাপ্তি নয়, বরং তা সুশৃঙ্খল অভ্যাসের ধারাবাহিক ফসল। মুহাম্মদ (সা.) তাঁর ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ‘সময় ব্যবস্থাপনা’র মাধ্যমে সফল হওয়ার পথ দেখিয়েছেন।