লোডশেডিং মানেই গ্রাম
লোডশেডিং মানেই গ্রাম
লোডশেডিং মানেই গ্রাম
বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ বাড়ছে, আর সরকার ও সাধারণ মানুষ—দুই পক্ষেরই এখন একটি বড় লক্ষ্য বিদ্যুৎ অপচয় কমানো।
বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানোর দুটি উপায়। একটি হলো মূল্যবৃদ্ধি, অন্যটি ব্যয় কমানো।
বিদ্যুৎ সংকট ও সেবার অনিয়মের প্রতিবাদে রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করেন শতাধিক গ্রাহক। আবাসিক প্রকৌশলীর তিন দিনের মধ্যে সমাধানের আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
চট্টগ্রামের ২৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে।
জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পাওয়ায় চট্টগ্রামে লোডশেডিং করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তারা। এখন দিনে গড়ে আড়াই থেকে তিন শ মেগাওয়াট পর্যন্ত ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যুতের পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে, তা বলতে পারছেন না কর্মকর্তারা।
অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রভাব বিস্তার সুসম্পর্কের অন্তরায় বলে মনে করেন মাওলানা মামুনুল হক; বৈঠকে বিদ্যুৎ বিল, জ্বালানি সংকট ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকারের দৃঢ় অবস্থানের দাবি জানানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ায় সরকার দাম সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। ৯ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এটি পাইকারি-খুচরা মূল্যহার নিয়ে প্রস্তাব দেবে।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা ঠেকাতে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করেছে সরকার।
বরগুনা সদর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের খাজুরতলা গ্রিড সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের পর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় কালবৈশাখীর আঘাতে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৪০ হাজার গ্রাহক।
মন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি সরবরাহ ধীর হয়ে গেছে। জ্বালানি না থাকলে বিদ্যুৎ আসবে কোথা থেকে।