যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যচুক্তি সংসদে
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনার জন্য জাতীয় সংসদে উত্থাপনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন।
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনার জন্য জাতীয় সংসদে উত্থাপনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন।
বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিবাচক চিত্র আরেকবার ফুটে উঠল গত বৃহস্পতিবার, দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বাসভবনের আঙিনায়।
ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বাংলাদেশের নবগঠিত সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বের পর্যায়ে যোগাযোগ হয়েছে এবং বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় প্ল্যাটফর্মের বৈঠক আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় বাংলায় যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার আশাবাদ জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হওয়া বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশের নাগরিকদের দ্রুত ফেরানোর বার্তা দিয়ে গেছেন সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের ক্ষেত্রে ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত আরোপের ৩৮ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাগরিকদের যুক্ত করার বিষয়টিকে দুঃখজনক বলেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
দিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামসুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া হয়ে চীনে গেছেন। অর্থনৈতিক স্বার্থের বিবেচনায় দুটি দেশই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের অন্যতম উৎস। সেখানে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ওপর বর্তমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বাংলাদেশে বড় চাওয়া। আর সহজ শর্তে ঋণ, বিনিয়োগ, অবকাঠামো নির্মাণে সহায়তা বা বাণিজ্য সম্পর্ক—যেকোনো বিবেচনায় চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগী। তবে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি ও কৌশলগত বিবেচনায় সফর দুটির মাত্রাগত পার্থক্য ও ভিন্নতা আছে।
ভারতের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নয়া দিল্লিতে যাবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বলে জানিয়েছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
বিআইপিএসএস প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল আ ন ম মুনিরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কৌশলগত, ভারসাম্যপূর্ণ ও জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক হতে হবে। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক কূটনীতিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের উপর তিনি জোর দেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নের সমাধান না করে ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্কের উদ্যোগ বাংলাদেশের জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।