ফ্ল্যাট–প্লট কিনতে ৪ কোটি টাকা ঋণ নেবেন কীভাবে, কোন ব্যাংক কত টাকা দিচ্ছে
ঋণ নিতে চাকরিজীবীদের মাসিক আয় কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা হতে হবে। ব্যবসায়ী ও বাড়িওয়ালারাও ঋণ নিতে পারবেন।
ঋণ নিতে চাকরিজীবীদের মাসিক আয় কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা হতে হবে। ব্যবসায়ী ও বাড়িওয়ালারাও ঋণ নিতে পারবেন।
কোনো মার্চেন্ট যত বেশি নিয়মিত বিকাশের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে পেমেন্ট গ্রহণ করবেন, তাঁর ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনাও তত বাড়বে।
সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে গত ৫ মাসে এই ঋণ মওকুফ করেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি)।
এডিবি কখনো কোনো ব্যক্তিকে সরাসরি ঋণ, অনুদান, তহবিল বা অন্য কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে না।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের দীর্ঘমেয়াদী খেলাপি ঋণ সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৮ মাসের এক্সিট প্ল্যান এবং এর চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্লেষণ।
উৎপাদন ও সেবা খাতের সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো এখন তাদের প্যারেন্ট কোম্পানি, সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও শেয়ারধারীদের কাছ থেকে আরও সহজে বৈদেশিক ঋণ নিতে পারবে।
দেশি অটোমোবাইল শিল্পের বিকাশের স্বার্থে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গাড়ি কিনতে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত অটো লোন (গাড়ি ঋণ) দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এই ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংক মনে করে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য একটি শক্তিশালী ব্যাংক খাতই হলো পূর্বশর্ত।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) খাতের উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন-সংকট দূর করতে অর্থমন্ত্রী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ২ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ পুনঃ অর্থায়ন ঋণ তহবিল ঘোষণা করেছেন।
রাষ্ট্র যখন বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে বিদেশি সংস্থাগুলোর কাছ থেকে শর্তযুক্ত ঋণ নেয়, তখন প্রকারান্তরে পুরো জাতিই সেই ঋণের জালে বন্দি হয়ে পড়ে।
শুধু কর ছাড় নয়, সেবা খাতে নতুন প্রণোদনা; শিক্ষা ঋণ, ডে-কেয়ার কেন্দ্র, প্রবাসী কার্ড ও ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই তহবিলের আওতায় পরিবেশবান্ধব কারখানা বা ভবন নির্মাণের জন্য ঋণ নিলে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ সুদের হার হবে ৫ শতাংশ।