
ইরান যুদ্ধ: শেষ হচ্ছে মার্কিন আধিপত্য
ইরান যুদ্ধ: শেষ হচ্ছে মার্কিন আধিপত্য

ইরান যুদ্ধ: শেষ হচ্ছে মার্কিন আধিপত্য

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মঙ্গলবার জয়পুরে বলেছেন, ইরানে নতুন মার্কিন হামলা সত্ত্বেও দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্ভব।

ভারতের জয়পুর সফরকালে রুবিও সাংবাদিকদের এমনটা বলেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আগমনের ৬ দিন পর, ২০ মে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে চীনে স্বাগত জানান। চীন ও রাশিয়ার মধ্যে ২০টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এপ্রিলের শুরুতে উভয় পক্ষ একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উপনীত হয়

ইসমাইল বাঘাই বলেন, গত এক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থান অনেকটাই কাছাকাছি এসেছে। তবে এর অর্থ এ নয় যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সমঝোতা হয়ে গেছে।

ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে ইরান, তাইওয়ান ও বাণিজ্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, দুই দেশের ‘অনেক ভিন্ন ভিন্ন সমস্যার’ সমাধান করা হয়েছে। তবে সংবেদনশীল ইস্যুগুলোতে সুনির্দিষ্ট চুক্তি হয়নি।

হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ চলাকালীন ইরাক ও পাকিস্তান জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে তেহরানের সঙ্গে চুক্তি করেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত পাঁচটি সূত্র রয়টার্সকে তথ্য দিয়েছে। ইরাকের দুটি তেলবাহী জাহাজ গত রোববার প্রণালী অতিক্রম করেছে।

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চীনের সাহায্যের দরকার নেই বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে এবং পাকিস্তান, ইরাকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। অন্য দেশগুলোও এখন ইরানের সঙ্গে চুক্তির উপায় খুঁজছে।

ইরানের সঙ্গে এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক সইয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

আজকের লড়াইটা কেবল সম্পদের নয়, প্রবাহের ওপর নিয়ন্ত্রণের। আর এই লড়াইকেই বলা যায় ‘রুট–যুদ্ধ’। এই যুদ্ধের কোনো দৃশ্যমান যুদ্ধক্ষেত্র নেই। কিন্তু প্রতিটি চুক্তি, প্রতিটি পাইপলাইন প্রকল্প, প্রতিটি রুট পরিবর্তনের মধ্যে লুকিয়ে থাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এখানে রাষ্ট্রগুলো এমনভাবে জ্বালানি করিডর তৈরি করতে চায়, যাতে তাদের প্রভাব বাড়ে, প্রতিপক্ষের বিকল্প কমে এবং ভবিষ্যতের বাজার তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে।