
সুনামগঞ্জে জামায়াতের শিশির মনিরকে হারিয়ে জয়ী বীর মুক্তিযোদ্ধা নাছির চৌধুরী
সুনামগঞ্জের প্রবীণ বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. নাছির চৌধুরী (৭৫) তাঁর ‘জীবনের শেষ নির্বাচনে’ জয়ী হয়েছেন।

সুনামগঞ্জের প্রবীণ বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. নাছির চৌধুরী (৭৫) তাঁর ‘জীবনের শেষ নির্বাচনে’ জয়ী হয়েছেন।

বিএনপির জয়ী প্রার্থীরা হলেন কামরুজ্জামান কামরুল, নাছির চৌধুরী, কয়ছর আহমদ, নূরুল ইসলাম ও কলিম উদ্দিন আহমেদ।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। এর মধ্যে চারটিতে ধানের শীষ প্রতীকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা, অন্যটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী।

সুনামগঞ্জ-৪ আসনে (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ায় সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের ১৪ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

প্রশাসন উদ্যোগী হয়ে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ইতিহাস-ঐতিহ্যের সংশ্লিষ্ট নানা স্মারক সংগ্রহ করে।

একসময় রক্তদানে অনেকের মধ্যে ভীতি কাজ করত। এখন সচেতনতা বেড়েছে। ব্যতিক্রম নয় সুনামগঞ্জও। বর্তমানে জেলায় কাজ করা সংগঠনগুলোর মধ্যে এগিয়ে আছে ‘ব্লাড লিংক’।

সুনামগঞ্জে সংসদীয় আসন পাঁচটি। দুটিতে বিএনপির দুজন নেতা মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দল তাঁদের বহিষ্কার করেছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থানার এক পুলিশ সদস্যসহ গ্রেপ্তার দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিএনপি–জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের পক্ষে প্রচারে নেমেছেন হাজারো প্রবাসী। প্রার্থীদের অর্থসহায়তাও দিচ্ছেন তাঁরা।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটিতে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে দুজন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ জন্য তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ-৫ আসনে (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

হিসাব করে দেখা গেছে, সুনামগঞ্জের প্রার্থীরা নির্বাচনে ব্যয় করবেন ৮ কোটি ৪৩ লাখ ২৬ হাজার ৪২৭ টাকা।