
নারায়ণগঞ্জে পাঁচ আসনের চারটিতে বিএনপির ছয় ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী
নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের চারটিতে দলীয় মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে লড়ছেন বিএনপির ছয় বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী।

নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের চারটিতে দলীয় মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে লড়ছেন বিএনপির ছয় বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটিতে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে দুজন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ জন্য তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরে দুটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির দুই যোদ্ধা। তাঁরা জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

নোয়াখালীর নির্বাচনী মাঠে আলোচনার কেন্দ্রে এখন নোয়াখালী-৬ সংসদীয় আসন (হাতিয়া)। এ আসনে ১০-দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। তাঁর সঙ্গে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে বিএনপির প্রার্থীর সঙ্গে।

ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনের সব কটিতে বিএনপি ও পাঁচটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে জামায়াতে ইসলামী। এর মধ্যে আটটিতে বিএনপির ও একটিতে জামায়াতের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

প্রতীক বরাদ্দে জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম পেয়েছেন ‘ঘোড়া’ প্রতীক।

ঢাকা মহানগরীর ১৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৩টির প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হচ্ছে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনের কার্যালয় থেকে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারটি সংসদীয় আসনে এখনো বিএনপির ছয়জন নেতা ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নোয়াখালীর দুটি সংসদীয় আসনে বিএনপির তিন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৯টি জামায়াত নিজেদের কাছে রেখেছে। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টিকে দেওয়া হয়েছে ১টি আসন।

খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ সমীরণ দেওয়ান। নির্বাচন কমিশনে আপিল করে গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান। এর আগে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে বাগেরহাটের একটি সংসদীয় আসন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)।