মারাকানায় কাটিয়েছিলাম মধুচন্দ্রিমা, খেলেছিল পেলে
রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাবে পেরুভিয়ান লেখক মারিও বার্গাস য়োসার সঙ্গে ফুটবলঘনিষ্ঠ কথোপকথনটি স্পেনের দৈনিক এবিসি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল ২০০৯-এ; পরে স্প্যানিশ থেকে অনুবাদ করেছেন রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী।
রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাবে পেরুভিয়ান লেখক মারিও বার্গাস য়োসার সঙ্গে ফুটবলঘনিষ্ঠ কথোপকথনটি স্পেনের দৈনিক এবিসি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল ২০০৯-এ; পরে স্প্যানিশ থেকে অনুবাদ করেছেন রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী।
পিককের নতুন সিরিজ ‘দ্য ফাইভ–স্টার উইকএন্ড’-এর প্রিমিয়ারে জেনিফার গার্নার বলেন, ‘বয়স নয়, অভিজ্ঞতাই শিল্পীর সবচেয়ে বড় শক্তি।’ স্বামীর মৃত্যুর পর ভেঙে পড়া এবং নতুন করে নিজেকে খুঁজে নেওয়ার গল্পে তিনি কুকবুক লেখক হলিস শ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
নৈতিক পক্ষ-বিপক্ষের কারণেও, কেউ কেউ শহীদুল জহিরের লেখ্যশিল্পকর্মের প্রাপ্য মান্যতা দিতে নারাজ। অথচ, সময়ের অগ্রসর পাঠক ক্রমশ শহীদুল জহিরের আখ্যানে বুঁদ হয়ে উঠছেন। অনূদিত শহীদুল জহির বহির্বিশ্বের অন্য ভাষার পাঠকের মুখোমুখি ছড়িয়ে পড়ছেন তাঁর রচনার শক্তিতেই। বাংলা ভাষায় শহীদুল জহিরের চেয়ে শক্তিশালী লেখক এই মুহূর্তে হাজির করতে পারবে কেউ বা হরেদরে গল্প-উপন্যাস লিখিয়েরাও কেউ কি শহীদুল জহিরের মতো গদ্যভাষাকে নিজের আয়ত্বে এনে ব্যবহার করতে পারার ক্ষমতায় পৌঁছেছেন? পারলে এটা পেরেই দেখাতে হবে। বয়ানের মহাজনী ও যুগপত ফাঁপা বাগাড়ম্বর নয়, এটা করে দেখাবার, লিখে দেখাবার প্রশ্ন। বাংলা ভাষায়, সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে প্রভাবশালী কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহির—এই বাক্যকে অস্বীকার করবেন, এমন কী আছে কার ঝুলিতে?
একজন লেখক যখন কোনো ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানের জন্য কনটেন্ট লিখে দেন, চুক্তি স্বচ্ছ এবং উভয় পক্ষের সম্মতি আছে—শরিয়তের দৃষ্টিতে এতে আপত্তির জায়গা নেই।
বাংলাদেশে সরকারি চাকরির প্রতি অতিমাত্রায় আসক্তি তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে ধ্বংস করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গবেষণা ও উদ্যোক্তা হওয়ার পরিবর্তে বিসিএস পরীক্ষার পেছনে সময় নষ্ট করছে বলে মনে করেন লেখক।
প্রায় ৮০ বছর আগে লেখা হিরোশিমা পারমাণবিক বোমা হামলার এক প্রত্যক্ষদর্শীর স্মৃতিকথা দীর্ঘদিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আর্কাইভে সেটি খুঁজে পাওয়া গেছে। এবার প্রথমবারের মতো বই আকারে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে সেই মূল্যবান দলিল। শুধু তা–ই নয়, স্মৃতিকথাটি অবলম্বনে নির্মিত হবে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও। ‘হিরোশিমা, ৮: ১৫’ শিরোনামে এই স্মৃতিকথার লেখক কিয়োশি তানিমোতো। ১৯৪৭ সালে তিনি ২৩০ পৃষ্ঠার বইটি লিখেছিলেন। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমায় যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বোমার ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ তিনি নিজের চোখে দেখেছিলেন। সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতাই তিনি তুলে ধরেছিলেন লেখায়।
ভেতরে–ভেতরে আমি বেশ উত্তেজনা অনুভব করলাম। কয়েক মিনিট! আর মাত্র কয়েক মিনিট পরেই দেখা হবে তাঁর সাথে! টের পেলাম, হাত ঘামছে আমার। গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। ঘরের চারপাশে তাকালাম। বসার ঘর। কোনো জাঁকজমক নেই। নেই কোনো দামি আসবাব। শুধু ঘরে আছে এক সেট সোফা। পুরোনো আমলের। সেই সোফায় আমি বসেছি। আমার সামনে বেতের তৈরি টি–টেবিল। তবে এসব সাধারণ আসবাবই আমাকে আরও বেশি উত্তেজিত করে তুলল। এত বড় লেখক!
জর্জ অরওয়েল (২৫ জুন ১৯০৩—২১ জানুয়ারি ১৯৫০) তাঁর দুটি কাজের জন্য বিখ্যাত। একটি রূপকাশ্রয়ী উপন্যাস অ্যানিমেল ফার্ম। এটি স্তালিনবাদের সিস্টেমের বিরুদ্ধে লেখা। অন্যটি ডিস্টোপিয়ান উপন্যাস নাইনটিন এইটি ফোর। এ দুটি উপন্যাসেই লেখক ক্ষমতাবানদের প্রশ্ন করেছেন ও দেখিয়েছেন ‘ক্ষমতা’ কীভাবে নিপীড়ক সংস্থার হয়ে কাজ করে। ক্ষমতাবান (বিগ ব্রাদার বা বড় ভাই) কীভাবে নজরদারিতে রাখে সাধারণ মানুষকে শাসন করার জন্য।
জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক লেখক আহমদ ছফাকে বলেছিলেন, ‘যখন কোনো নতুন জায়গায় যাইবেন, দুইটা বিষয় পয়লা জানার চেষ্টা করবেন।
সুইডেনের অন্যতম নারী লেখক কারিন বোয়ে ছিলেন একাধারে একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও রাজনৈতিক কর্মী। সুইডেনের ‘পথপ্রদর্শক কবি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও তিনি আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত ১৯৪০ সালে প্রকাশিত তাঁর ডিস্টোপিয়ান বিজ্ঞানভিত্তিক উপন্যাস কালোকেইন-এর জন্য।
এবার ‘ডন ৩’ বিতর্কে সরব হলেন লেখক ও কলামিস্ট শোভা দে। তাঁর দাবি, পুরো ঘটনার পেছনে শুধু ‘ডন ৩’ থেকে অভিনেতার সরে দাঁড়ানো নয়, বরং আরও বড় কোনো ‘ষড়যন্ত্র’ কাজ করছে।
নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলায় সাহিত্য পুরস্কার পেলেন লেখক ও গবেষক আবদুন নূর।