বান্দরবানের রেতলাং এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলছে: আইএসপিআর
সবাইকে এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারমূলক তথ্য পরিহারের অনুরোধ জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
সবাইকে এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারমূলক তথ্য পরিহারের অনুরোধ জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে থানচির তিন্দু নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংসদে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
বান্দরবানে গভীর রাতে লাগা আগুনে একটি বাজারের একাংশ পুড়ে গেছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসের টানা ছুটিতে পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে পর্যটকের ঢল নেমেছে। তবে সে তুলনায় সরবরাহ না থাকায় জেলাজুড়ে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।
বেইলি সেতুর একাংশ ধসে ১২ জুলাই থেকে বন্ধ থাকা বান্দরবান-রাঙামাটি সড়ক ১৩ দিন পর আজ শনিবার সকাল থেকে সব ধরনের যানবাহনের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় রাঙামাটি-বান্দরবান সড়কের একটি সেতু ধসে পড়েছে। এতে দুই জেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
পাহাড়ের মৃত্যুমিছিল থামাতে হলে পাহাড়ের প্রকৃতি ও সংস্কৃতির ন্যায্যতা প্রশ্নে ‘জাতীয় পাহাড় ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ জরুরি।
পার্বত্য চট্টগ্রামে ফুল বিজু উৎসবে রাঙামাটি ও বান্দরবানে ভোর থেকে উচ্ছ্বাস। চাকমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের এই উৎসব শুরু হয়েছে নদীতে ফুল ভাসিয়ে। আগামীকাল থেকে অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর সাংগ্রাই, চাংক্রানসহ বিভিন্ন উৎসব শুরু হবে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ফলাফলে তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বান্দরবান শীর্ষে থাকলেও সামগ্রিক পাসের হার এবং স্কুল পর্যায়ের অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের হার নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
নাব্য সংকট, অবৈধ দখল এবং সংস্কারের অভাবে অল্প বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাচ্ছে বান্দরবানের নিম্নাঞ্চল। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর নাব্যতা হ্রাস এবং খাল ভরাট হয়ে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, যা স্থানীয়দের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।
রাঙামাটিতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনো পানিবন্দী রয়েছে জেলার এক হাজারের বেশি পরিবার। এদিকে বান্দরবান জেলায় বন্যার পানি নেমে গেছে। তবে জেলা সদরের সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলা এবং চট্টগ্রামের যান চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।
ঈদের ছুটি হোক বা সপ্তাহান্তের অবকাশ; অনেকেরই ইচ্ছা পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়ার। কিন্তু বাজেটের চিন্তায় পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। অথচ তিন পার্বত্য জেলা—বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে এখনো ১৫০ থেকে ১ হাজার টাকা বা এর আশপাশে মেলে হোটেলের কক্ষ। তাই কম খরচে রাত কাটিয়ে দিনে ঘুরে দেখা যায় পাহাড়, ঝরনা, হ্রদ, নদী আর সবুজে মোড়া প্রকৃতির নানা রূপ।