রাঙামাটির বড়থলি: সীমান্তঘেঁষা ইউনিয়নটিতে নেই সরকারি সুযোগ-সুবিধা
রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বড়থলি ইউনিয়নে নেই সরকারি সুযোগ-সুবিধা। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ও আরেক জেলায়। সরকারি বিদ্যালয়, ক্লিনিক কিছুই নেই এই ইউনিয়নে। বাসিন্দারা হেঁটে চলাচল করেন।
রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বড়থলি ইউনিয়নে নেই সরকারি সুযোগ-সুবিধা। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ও আরেক জেলায়। সরকারি বিদ্যালয়, ক্লিনিক কিছুই নেই এই ইউনিয়নে। বাসিন্দারা হেঁটে চলাচল করেন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শহর ও এর আশপাশের অন্তত সাতটি এলাকায় প্রায় তিন হাজার পরিবার এক মাস ধরে পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে।
খুলনার রূপসা উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন সড়কে খানাখন্দ ও কাদাপানির কারণে প্রতিদিন অন্তত পাঁচ হাজার মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।
ভাঙন ঠেকাতে নদীর তীরে অল্প কিছু জায়গায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। কোথাও পুরোনো বালুর বস্তা পড়ে আছে, কোথাও নতুন করে পাড় রক্ষার চেষ্টা চলছে। তবে স্থানীয় লোকজন বলছেন, ভাঙনের তুলনায় এই প্রতিরোধব্যবস্থা খুবই সীমিত।
সরকারের অব্যবস্থাপনা ও অদূরদর্শিতার কারণে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট চরমে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার বাখরাবাজ এলাকায় মসজিদের সামনে ট্রান্সফরমার অকেজো হওয়ার পর নেসকোর পোর্টেবল ট্রান্সফরমার চালু করা হলে সংযোগের পরপরই বাল্ব পুড়ে যায় এবং অভিযোগ ওঠে—তিন মহল্লার কয়েকটি বাড়ির ইলেকট্রনিকস পণ্যও নষ্ট হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয়দের ক্ষোভ থেকে নেসকোর কর্মীদের ওপর হামলা ও আটকে রাখার ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।
এক্সিলারেটের টার্মিনালের ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি এখনো ঠিক হয়নি। এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর খরিলার বিলে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে উড়ে যাওয়া কৃষকছাউনির চাল ছয় বছরেও মেরামত হয়নি। রোদ-বৃষ্টিতেই কাজ করতে হচ্ছে কৃষকদের।
ঢেউয়ের ধাক্কায় ভাঙনের ঝুঁকিতে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের সীমান্ত সড়ক
জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পাওয়ায় চট্টগ্রামে লোডশেডিং করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তারা। এখন দিনে গড়ে আড়াই থেকে তিন শ মেগাওয়াট পর্যন্ত ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যুতের পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে, তা বলতে পারছেন না কর্মকর্তারা।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের নগর বরিশাল ক্রমে উষ্ণ হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে কমছে বৃষ্টির পরিমাণ। পরিবর্তনের এই প্রভাব পড়ছে জনজীবনে।
চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রতিদিন দিনে গড়ে ৫০ কোটি লিটার পানি উৎপাদন করে। এর মধ্যে প্রতিদিন প্রায় ১২ কোটি ৫০ লাখ লিটার পানি অপচয় হচ্ছে।