
তেল ছাড়া ‘সংসার চলবে না’, তাই খাওয়া বাদ দিয়ে লাইনে
সরকার ১৯ এপ্রিল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর মজুতের প্রবণতা ও ‘প্যানিক বায়িং’ কমবে বলে মনে করা হলেও এরপরও ফিলিং স্টেশনে লাইন কমছে না।

সরকার ১৯ এপ্রিল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর মজুতের প্রবণতা ও ‘প্যানিক বায়িং’ কমবে বলে মনে করা হলেও এরপরও ফিলিং স্টেশনে লাইন কমছে না।

জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম। বরাবরের মতো লোডশেডিংয়ের প্রায় পুরোটাই হচ্ছে গ্রামে।

দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হলো টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বরাবর পাঠানো চিঠিতে তারিখ লেখা ১৭ এপ্রিল। তবে চিঠিটি ১৯ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দায়িত্বশীল সূত্র।

‘দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই’—সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের এমন বক্তব্য যথার্থ বলে মন্তব্য করেন জ্বালানীমন্ত্রী।

লোডশেডিংয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক জ্বালানিনির্ভর, দৈনিক চাহিদা এক লাখ লিটার পর্যন্ত পৌঁছেছে।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তে জনগণের প্রতি সুবিচার হয়নি বলে মত জানিয়েছেন

চট্টগ্রাম বন্দরে আজ শুক্রবার ডিজেলবাহী তিনটি ট্যাংকার (জাহাজ) পৌঁছানোর কথা রয়েছে। আগামী রোববার আসবে আরও একটি। সব মিলিয়ে ৪টি ট্যাংকারে করে আসছে ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল। এ পরিমাণ জ্বালানি দিয়ে প্রায় ১২ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে।

আইইএর প্রধান বলেছেন, ইউরোপের কাছে ‘হয়তো আর মাত্র ৬ সপ্তাহের মতো উড়োজাহাজের জ্বালানি অবশিষ্ট আছে’।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ঘিরে উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশের জ্বালানি খাত এমনিতেই অস্থির। তেল আমদানি থেকে শুরু করে সরবরাহব্যবস্থা—সব জায়গায় চাপ বেড়েছে। এর মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) তাদের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে একাধিক রদবদল করেছে। এ-সংক্রান্ত অফিস আদেশও জারি হয়েছে।

গত বছরের একই সময়ের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিতীয় দফা আলোচনার সম্ভাবনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুড ৯৮.৪০ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ৯৭.৪০ ডলারে নেমেছে। এশিয়ার শেয়ারবাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে।